লোড হচ্ছে...
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। গত তিন দিন ধরে চলা ব্যাপক অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৯৭ জন বিদ্রোহী এবং ২২ জন সেনাসদস্যসহ মোট ২৫৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তানের অস্থির প্রদেশ বেলুচিস্তানে সমন্বিত বন্দুক ও বোমা হামলার জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিচালিত অভিযানে অন্তত ১৪৫ জন সশস্ত্র বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া ওই সিরিজ হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ১৭ সদস্য ও ৫ নারীসহ প্রায় ৫০ জন প্রাণ হারান।
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের একাধিক জেলায় চলমান অভিযান ‘অপারেশন হেরোফ ফেজ-২’ ৪০ ঘণ্টারও বেশি ধরে অব্যাহত বলে দাবি করেছে বিদ্রোহী সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সংগঠনের মতে, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীতে ভারী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে। বিএলএ-র দাবি, পাকিস্তানি সেনা, পুলিশ ও ফ্রন্টিয়ার কর্পসের ২০০-এর বেশি সদস্য নিহত এবং ১৭ জনকে বন্দি করা হয়েছে।
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে শনিবার সমন্বিত ও মারাত্মক হামলার পর চালানো অভিযানে কমপক্ষে ৯২ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব হামলায় ১৫ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। পাকিস্তান সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, এই বিচ্ছন্নতাবাদীদের পেছনে ভারতের সমর্থন রয়েছে। তবে নয়াদিল্লি একাধিকবার এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।
১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম বেলুচিস্তানের খারান শহরে সরকারি ও বাণিজ্যিক ভবনে সমন্বিত হামলা চালিয়েছিল একদল বিচ্ছিন্নতাবাদী । তবে নিরাপত্তা বাহিনীর তাৎক্ষণিক ও কার্যকর অভিযানে অন্তত ১২ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে এবং তাদের জিম্মি করার পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (তারিখ) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

