লোড হচ্ছে...
চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণের ঐতিহাসিক অভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী। আজ শনিবার সকালে, ৬টা ৭ মিনিট (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিট), তাঁদের বহনকারী ‘ওরিয়ন’ মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে। সমুদ্রের মধ্যে অবতরণের পর, মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান নভোচারীদের সুস্থতা সম্পর্কে একটি ইতিবাচক প্রতিবেদন দিয়েছেন। তিনি বলেন, "এটি ছিল অসাধারণ এক যাত্রা। আমরা স্থিতিশীল আছি এবং চার নভোচারীই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।" মিশনের ল্যান্ডিং ও উদ্ধার প্রক্রিয়া সম্পর্কে নাসার আর্টেমিস-২ ল্যান্ডিং অ্যান্ড রিকভারি ডিরেক্টর লিলিয়ান ভিয়ারিয়াল জানান, সমুদ্রে অবতরণের দুই ঘণ্টার মধ্যে নভোচারীদের উদ্ধার করে তাঁদের মেডিক্যাল পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য নৌবাহিনীর জাহাজে নেওয়া হবে।
১১ এপ্রিল, ২০২৬
প্রায় ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল ভোররাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চার নভোচারী ‘আর্টেমিস ২’ মিশনের জন্য চাঁদের পথে রওনা হয়েছেন। তাদের দশ দিনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মহাশূন্য থেকে পাঠানো হয়েছে জাদুকরী ছবি। মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান শুধু নভোচারীই নন, তিনি দারুণ ফটোগ্রাফারও। তাঁর তোলা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে পৃথিবী যেন সূর্যকে প্রায় পুরো ঢেকে দিয়ে একটি মহাজাগতিক আড়াল তৈরি করেছে। ছবিতে জোডিয়াকাল লাইটও ধরা পড়েছে। এছাড়া, পৃথিবীর দুই মেরুর অরোরাও ছবির ওপরের ডান ও নিচের বাঁ দিকে দেখা যাচ্ছে।
৪ এপ্রিল, ২০২৬
পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি কি আদৌ এই গ্রহেই হয়েছিল, নাকি তার বীজ ছড়িয়ে ছিল মহাকাশে—এ প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় মিলেছে নতুন সূত্র, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে—প্রাণের জন্য প্রয়োজনীয় জটিল জৈব অণু মহাকাশের শূন্যস্থানেই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হতে পারে।
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

