লোড হচ্ছে...
শীর্ষস্থানীয় একটি সামরিক থিংক-ট্যাঙ্কের মতে, উদীয়মান অর্থনৈতিক সংকট ও জনবলের চাপ সত্ত্বেও ২০২৬ সাল শেষ হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনে আগ্রাসন চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে রাশিয়া। একই সঙ্গে ইউরোপের ওপর তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকিও ক্রমেই বাড়ছে। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (IISS)-এর মহাপরিচালক বাস্তিয়ান গেইজেরিখ বলেন, "ইউক্রেনের বিরুদ্ধে টানা পঞ্চম বছরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাশিয়ার কমেছে—এমন ইঙ্গিত খুবই কম পাওয়া যাচ্ছে।"
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ক্রেমলিনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার তেলের চালান ও তথাকথিত 'শ্যাডো ফ্লিট' বা ছায়া নৌবহরের ওপর নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে পশ্চিমা শক্তিগুলো যেন রুশ জাহাজ জব্দ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে রুশ নৌবাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং নৌপরিবহন বিষয়ক ক্রেমলিনের উপদেষ্টা নিকোলাই পাত্রুশেভ মঙ্গলবার বলেছেন, রাশিয়াকে অবশ্যই একটি কঠোর বার্তা দিতে হবে—বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোকে।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

