লোড হচ্ছে...
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইরানের দৃষ্টিকোণ থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ নয়। তাঁর এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগের সম্পূর্ণ বিপরীত। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ববাসীকে বোঝাতে চাইছে যে, ইরান আন্তর্জাতিক নৌপথ আটকে দিয়ে পুরো বিশ্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং সংঘাতটিকে ‘ইরান বনাম বিশ্ব’ হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। তবে আরাকচি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রণালীটি কেবল মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
১৫ মার্চ, ২০২৬
আইআরআইবি সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে পার্স টুডে জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি বলেছেন: "ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন—তবে শর্ত ছিল, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর আকাশসীমা, স্থলভাগ এবং জলসীমা ব্যবহার করে ইরানি জনগণের ওপর কোনো হামলা চালানো যাবে না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের শক্তি, দৃঢ়তা এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল হিসাব-নিকাশ করার কারণে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই এই প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়।"
৯ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসছে বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠেছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “জনসাধারণকে ‘হোম ফ্রন্ট কমান্ড’-এর নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে। হুমকি মোকাবিলায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনে তারা হামলা প্রতিহত ও পাল্টা আঘাত হানছে।”
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
লেবাননের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে ‘ইকলিম আল-তুফাহ’ অঞ্চলে ইসরায়েল একনাগাড়ে বিমান হামলা চালিয়েছে। গত কয়েক দিনে হিজবুল্লাহর কৌশলগত অবকাঠামো মনে করে ইসরায়েল তাদের হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ধারণা, হিজবুল্লাহর কাছে রকেট লঞ্চার ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংঘাত এড়াতে অবশ্য বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছিল, যার সবশেষটি অনুষ্ঠিত হয় মাত্র দুই দিন আগে। সেই পরোক্ষ আলোচনার প্রধান মধ্যস্থতাকারী ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংঘাত এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে গত ১২ ঘণ্টার মধ্যে ওয়াশিংটনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। কিন্তু এখন আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সংঘাতের সূচনা ইসরায়েল থেকেই হচ্ছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা ইরানের ওপর একটি ‘প্রতিরোধমূলক আক্রমণ’ বা আগাম হামলা চালিয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে প্রত্যক্ষদর্শীরা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পরপরই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এই হামলার খবর এলো। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, তবে এ নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ‘মোটেও খুশি নন’ এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগ—এমনকি ইরানে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টিও—বিবেচনার টেবিলে রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে আরেক দফা পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী এই আলোচনাকে ‘তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে দাবি করলেও, কোনো পক্ষই যুদ্ধ এড়াতে তাদের অবস্থান থেকে কতটা ছাড় দিতে রাজি, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার জেনেভায় আলোচনা শেষে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানান, আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় আরও কারিগরি আলোচনা হবে এবং এবারের অগ্রগতি ‘ভালো’ হয়েছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি অব্যাহত রাখলেও, কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখে সুইজারল্যান্ডে তৃতীয় দফার পরমাণু আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছান এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সাথে সাক্ষাৎ করেন। ওমান এই পরোক্ষ আলোচনার মধ্যস্থতা করছে, যা বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনায় "উৎসাহজনক ইঙ্গিত" পাওয়া গেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আগামী বৃহস্পতিবার নির্ধারিত পরবর্তী আলোচনার আগে তেহরান যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা যখন বাড়ছে, ঠিক তখনই রবিবার পেজেশকিয়ান এই মন্তব্য করলেন। একদিকে ওয়াশিংটন উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো চুক্তি না হলে তাদের "খুবই খারাপ পরিণতির" মুখোমুখি হতে হবে।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তেজনা কমানো এবং একটি নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিতীয় দফা পরমাণু আলোচনার জন্য জেনেভায় পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছেন যে, এই সংঘাত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। সোমবার ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ আরাকচি লিখেন, “একটি ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত চুক্তি অর্জনের জন্য বাস্তবসম্মত প্রস্তাব নিয়ে আমি জেনেভায় এসেছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “টেবিলে যা নেই, তা হলো—হুমকির কাছে নতি স্বীকার।”
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মনে করা হচ্ছে, নতুন করে মার্কিন হামলা ঠেকানোর জন্য এটিই হতে পারে অন্যতম শেষ সুযোগ। গত জুনে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এই প্রথম দুই পক্ষ আলোচনায় বসছে। সে সময় ইসরায়েলের ১২ দিনের টানা বোমা হামলার শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রও তাতে যোগ দিয়েছিল।
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

