লোড হচ্ছে...
হঠাৎ ব্যাংকে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ইসলামী ব্যাংকে ধরনের উদ্বেগ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শাখার সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্তরোর্ধ্ব গিয়াস উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিনের সঞ্চয় নিয়ে এখন অনিশ্চয়তায় ভুগছি। ....
২২ এপ্রিল, ২০২৬
দুর্বল পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক তিন মাসেও গতি পায়নি। চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) না থাকায় কার্যত নেতৃত্বশূন্য অবস্থায় রয়েছে ব্যাংকটি। এতে সেবা ব্যাহত হওয়া, আমানত ফেরত না পাওয়া এবং ‘হেয়ারকাট’ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারী। বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বরে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্দেশ্য ছিল তারল্য সংকট কাটিয়ে আস্থা ফিরিয়ে আনা। তবে বাস্তবে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
১০ এপ্রিল, ২০২৬
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অসুস্থ আমানতকারীদের জন্য বিশেষ সহায়তা হিসেবে মার্জার হওয়া ব্যাংকগুলোর প্রশাসকদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রদানের ক্ষমতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
৭ এপ্রিল, ২০২৬
শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কয়েক শ ভুক্তভোগী আমানতকারী। ‘বাংলাদেশ ভুক্তভোগী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন’-এর ব্যানারে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভকারী আমানতকারীরা অভিযোগ করেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ব্যাংকগুলো তাদের গচ্ছিত আমানত ফেরত দিচ্ছে না। এমনকি দৈনন্দিন ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনেও ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারছেন না তারা। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিরাপত্তার কথা ভেবে ব্যাংকে টাকা রেখেছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি ব্যাংকই টাকা ফেরত দিচ্ছে না। আমরা আমাদের আমানত ও মুনাফাসহ পুরো টাকা ফেরত চাই।
৭ এপ্রিল, ২০২৬
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত এক মাসে ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে এবং এর কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেনি। এছাড়া, গত দুদিনে আরও ছয়টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটেও একইভাবে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল হয়। সালাম এয়ারের মধ্যপ্রাচ্য রুটেও একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
৪ এপ্রিল, ২০২৬
নির্বাচনের আগে জানুয়ারিতে ব্যাংক খাতে আমানতের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিতে ভাটা পড়েছে। এক মাসেই আমানত কমেছে প্রায় ৬ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা। একই সময়ে ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতে নগদ অর্থ বেড়েছে ৭ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা।
১ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক মাসে ২১৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে । এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা রুটের এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
৩১ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আরও পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৮ মিনিটে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২৫ মার্চ, ২০২৬
শুধু অর্থ-সম্পদই আমানতের অন্তর্ভুক্ত না। ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র- সবক্ষেত্রে আমানতের অন্তর্ভূক্তি রয়েছে। কেউ টাকা-পয়সা গচ্ছিত রাখলে যেমন সেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা আমানত তেমনি কারো গোপন কথাও আমানত। আবার একজন চাকুরীজীবীর জন্য আমানত হলো তার কর্মঘণ্টা, অর্পিত দায়িত্ব, অফিসের গোপনীয়তা রক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের সম্পদের সঠিক ব্যবহার। যা মালিকপক্ষের কাছ থেকে তার কাছে অর্পণ করা হয়। কাজের সময়ে ফাঁকি দেওয়া, ব্যক্তিগত কাজ করা বা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ অপচয় করা হলো আমানতের খেয়ানত। সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনই হলো প্রকৃত আমানতদারিতা।
৫ মার্চ, ২০২৬
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী অন্তত ২৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
২ মার্চ, ২০২৬
বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি, রাজনৈতিক উত্তাপ ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও ব্যাংক খাতে আমানতের জোয়ার বইছে। সদ্য সমাপ্ত বছরে ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ১০ শতাংশ, যা গত ৫১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ব্যাংকাররা বলছেন, উচ্চ সুদহার, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে আসা, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফেরার মতো কয়েকটি কারণ এ প্রবৃদ্ধির পেছনে কাজ করেছে।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

