লোড হচ্ছে...
অক্টোবরে ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’র পর অন্যতম সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিনে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদিকে বুধবার রাফাহ সীমান্ত দিয়ে ফিলিস্তিনি রোগী ও আহতদের সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মিশর থেকে গাজায় ফেরার পথে রাফাহ সীমান্ত পার হওয়ার অভিজ্ঞতাকে এক ‘বিভীষিকাময় যাত্রা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ফিলিস্তিনি নারীরা। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া হাতেগোনা কয়েকজন জানিয়েছেন, তাদের সন্তানদের কাছ থেকে আলাদা করে হাতকড়া পরানো হয়েছে, চোখ বেঁধে রাখা হয়েছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ‘হুমকির মুখে’ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাফাহ দিয়ে গাজার রোগীদের বের হতে দিচ্ছে না ইসরায়েল : জাতিসংঘ মহাসচিবের জরুরি আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মঙ্গলবার আবারও ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—গাজায় অবিলম্বে মানবিক সাহায্য প্রবেশ করতে দিন এবং যুদ্ধে আহত-অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার পথ খুলে দিন।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনামগুলোতে দেখা যাচ্ছে, অবশেষে গাজা ও মিশরের মধ্যকার রাফাহ ক্রসিং খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। এর ফলে চিকিৎসার জন্য মরিয়া আহত ফিলিস্তিনিরা এখন গাজা ছাড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সোমবার সীমান্ত খোলার প্রথম দিনে ইসরায়েল মাত্র পাঁচজন রোগীকে এই পথে গাজা ত্যাগের অনুমতি দিয়েছে। ফলে শত শত, এমনকি হাজার হাজার মানুষকে এখনো অপেক্ষাতেই থাকতে হচ্ছে।
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে গাজা শান্তি পরিকল্পনার বিস্তারিত যখন স্পষ্ট হলো, তখন ৩০ বছর আগে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ সমাপ্তকারী চুক্তির সঙ্গে এর মিল খুঁজে না পাওয়াটা ছিল অসম্ভব। গাজার এই পরিকল্পনা হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এটি মূলত বিদেশিদের অনন্ত নিয়ন্ত্রণকেই পাকাপোক্ত করছে। পরিকল্পনাকারীরা ফিলিস্তিনিদের ‘সেরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড’-এর ভিত্তিতে শাসনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। বসনিয়ার মানুষ গত তিন দশক ধরে এই একই বুলি শুনে আসছে। অথচ আজ পর্যন্ত আমরা জানিই না সেই তথাকথিত ‘মানদণ্ডগুলো’ আসলে কী।
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বোমাবর্ষণে অন্তত ৩১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয় শিশু এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। এই হামলাগুলো হয়েছে এমন সময়, যখন রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং রবিবার পুনরায় খোলার কথা রয়েছে।
১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ফাতিমা আব্দুল্লাহর চোখের সামনে থেকে কিছুতেই সরছে না আল-বাতশ কবরস্থানের সেই ভয়াবহ দৃশ্য। গাজা সিটির এই কবরস্থানে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ খুঁজতে গিয়ে চালিয়েছে ধ্বংসযজ্ঞ। ফাতিমার স্বামী, যিনি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছিলেন, তিনিও শায়িত ছিলেন সেখানে। কিন্তু আজ সেই কবরস্থান এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

