লোড হচ্ছে...
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ছয়টি দেশ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
১৯ মার্চ, ২০২৬
এই সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে কৃষিনির্ভর দেশগুলো। ভারত, ব্রাজিল, চীন, অস্ট্রেলিয়া—সবাই বড় অংশে আমদানিনির্ভর। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের প্রায় ৪০–৫০ শতাংশ ইউরিয়া আসে এই পথ দিয়ে, আর ব্রাজিলের নির্ভরতা প্রায় ৯০ শতাংশ।
১৭ মার্চ, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজকে নিরাপত্তা প্যাসেজ দেওয়ার পরিবর্তে ইরান ভারতের কাছে তিনটি ট্যাংকার ফেরত চেয়েছে। জব্দকৃত জাহাজের নাম অ্যাসফেল্ট স্টার, আল জাফজিয়া এবং স্টেলার রুবি। এ ছাড়াও ইরানের রাষ্ট্রদূত ভারতের কাছে তাদের জন্য জরুরি ওষুধ ও মেডিকেল সরঞ্জাম পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
১৭ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীকে সুরক্ষিত করতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের লক্ষ্যে একটি নৌ-জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়।
১৬ মার্চ, ২০২৬
ফ্রান্স এবং ইতালি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিজেদের জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
১৪ মার্চ, ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ঘোষণা দিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আপাতত বন্ধই রাখা হবে। নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।
১২ মার্চ, ২০২৬
রয়টার্সের পর্যালোচনা করা ট্যাংকার ট্র্যাকিং (জাহাজের গতিবিধি নজরদারি) ডেটা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির সংকীর্ণ এই নৌপথে তেহরান-সংশ্লিষ্ট হামলার কারণে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের তেল রপ্তানি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, ইরানের অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) প্রায় স্বাভাবিক গতিতেই সরবরাহ হচ্ছে।
১২ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) তারা ইরানের মাইন-বিছানোর কাজে ব্যবহৃত এক ডজনেরও বেশি নৌযান ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এই অঞ্চলের তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার শপথ নিয়ে বলেছে, তারা শত্রুদের কাছে "এক লিটার তেলও" যেতে দেবে না।
১১ মার্চ, ২০২৬
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ১৬টি মাইন বসানো নৌযান ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
১১ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ হামলা হয়েছে। এতে দুই ভারতীয় নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ...
৫ মার্চ, ২০২৬
জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হিরস বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক হামলার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়তেই থাকবে। ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই শিক্ষক বলেন, "মার্কিন নৌবাহিনী যদি তেলের ট্যাংকারগুলোকে আর নিরাপত্তা (এসকর্ট) দিয়ে পার করতে না পারে এবং এর ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ যদি অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তবে কিছু সময়ের জন্য তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে লাফিয়ে উঠতে পারে।"
৫ মার্চ, ২০২৬
শত্রুদের ওপর ‘পর্যাপ্ত চাপ’ আসার আগ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
৩ মার্চ, ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ‘স্কাইলাইট’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় চারজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ওমানের সমুদ্রবিষয়ক নিরাপত্তা কেন্দ্র। খবর আল-জাজিরা।...
১ মার্চ, ২০২৬
পরমাণু আলোচনার বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন সমঝোতার ‘মূলনীতি’তে পৌঁছানোর কথা বলছেন, ঠিক তখনই দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দাগলেন এবং আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশাবাদ ব্যক্ত করলেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মঙ্গলবার জেনেভায় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে দ্বিতীয় দফা আলোচনা করেছে। এদিকে ইরান ঘোষণা দিয়েছে যে তারা ‘লাইভ ফায়ার’ (প্রত্যক্ষ গোলাবর্ষণ) সামরিক মহড়ার জন্য হরমুজ প্রণালী কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। আলোচনা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ইরানি সংবাদমাধ্যম ঘোষণা করে যে, ইরান হরমুজ প্রণালীর দিকে মিসাইল (ক্ষেপণাস্ত্র) নিক্ষেপ করেছে। তারা আরও জানায়, "নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক উদ্বেগের" কারণে প্রণালীটি কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হবে।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

