লোড হচ্ছে...
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চলতি মাসের শেষের দিকে চীনে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বহু প্রতীক্ষিত শীর্ষ সম্মেলনটি পিছিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, তাঁর মতে বেইজিংয়ের উচিত হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করতে সহায়তা করা, কারণ দেশটি তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের ৯০ শতাংশই এই অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে।
১৬ মার্চ, ২০২৬
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেন, “চীনের সঙ্গে এবং প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। আমরা উভয়ই বুঝি এই সম্পর্ক বজায় রাখা কতটা জরুরি।” উভয় নেতা সর্বশেষ গত নভেম্বরে ফোনে কথা বলেছিলেন। এবারের আলোচনায় তাইওয়ান ও সয়াবিন ছাড়াও ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের তেল ও গ্যাস কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সাংহাইয়ে পা রাখার পরপরই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্টারমারের চীন সফরের তৃতীয় দিনে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, যুক্তরাজ্যের জন্য বেইজিংয়ের সাথে ব্যবসা করাটা "অত্যন্ত বিপজ্জনক" হতে পারে।
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পর কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেইজিং সফরে গেলেন স্যার কিয়ার স্টারমার। গত বৃহস্পতিবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠকে তিনি দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের তিক্ততা ভুলে একটি "আরও পরিপক্ক এবং বাস্তবসম্মত" (more sophisticated) সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে গত কয়েক বছরে লন্ডন ও বেইজিংয়ের সম্পর্কে যে ফাটল ধরেছিল, তা মেরামত করাই ছিল এই আলোচনার মূল লক্ষ্য।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

