লোড হচ্ছে...
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ১০৩টি সামরিক অভিযান পরিচালনার দাবি করেছে। এই বিস্তৃত হামলায় অন্তত দুটি মেরকাভা ট্যাংক ধ্বংস এবং এক ইসরায়েলি সেনাকে হত্যার দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) হিজবুল্লাহর মিডিয়া শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের হামলা সিরিজে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় জনপদ, বিশেষত আপার গ্যালিলি অঞ্চলে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। রকেট হামলা, ড্রোন আক্রমণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালিয়েছে।
২৮ মার্চ, ২০২৬
লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের চলমান হামলাকে ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ বা ‘গণশাস্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে আঘাত হানছে। এর ফলে দেশটির সরকার এবং সাধারণ মানুষ—উভয়েই চরম বিপাকে পড়েছে। বিশেষ করে যারা বোমাবর্ষণের এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের জন্য পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
২৩ মার্চ, ২০২৬
লেবাননের প্রতি ‘সমর্থন ও সংহতি’ জানাতে বৈরুত সফরে যাচ্ছেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লেবাননের জনগণের প্রতি ‘ফ্রান্সের সমর্থন ও সংহতি’ প্রকাশ করতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো লেবানন সফরে যাচ্ছেন।
১৯ মার্চ, ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননের চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে জাহরানি নদীর উত্তরে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচায় আদ্রায়ি জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই খিরবেত সেলম, বেইত ইয়াহুন, সারাফান্দ এবং দেইর কানুন এন-নাহর গ্রামে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন।
১৮ মার্চ, ২০২৬
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা, কারণ কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের সাথে লেবানন আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি স্থল অভিযান ঠেকানো এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিগুলো ধ্বংসের যে হুমকি দেওয়া হয়েছে, তা রুখতে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। আর এই প্রেক্ষাপটেই লেবানন এমন পদক্ষেপ নিল।
১৫ মার্চ, ২০২৬
মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে ইসরায়েল লেবাননে প্রায় ৬০০ মানুষকে হত্যা করেছে এবং সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে। এটি মূলত ইসরায়েলের ‘গাজা নীতি’ বা ‘গাজা ডকট্রিন’-এর একটি নতুন ফ্রন্টে প্রয়োগের সূচনা মাত্র। তাদের এই সূত্রটি অত্যন্ত ধারাবাহিক: বাস্তুচ্যুত করা—হোক সেটা মানুষকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে অথবা তাদের বেঁচে থাকার উপায়গুলো ধ্বংস করে দিয়ে। বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া, যাতে মানুষ আর ফিরে আসতে না পারে এবং তথাকথিত ‘বাফার জোন’ তৈরির মাধ্যমে এলাকা দখল করা। কোনো সংহত শাসনব্যবস্থাকে টুকরো টুকরো করে বিচ্ছিন্ন ছিটমহলে পরিণত করা, যেখানে নিচু মাত্রায় সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখা যায়।
১৪ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের কৌশল গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে; আর তা কেবল হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধেই নয়, খোদ লেবানন সরকারের বিরুদ্ধেও। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি কর্মকর্তারা লেবানন সরকারের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত কড়া ভাষায় কথা বলেছেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "সরকার যদি হিজবুল্লাহর মোকাবিলা না করে এবং তাদের হামলা বন্ধ না করে, তবে আমরা লেবাননের ভূখণ্ড নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেব।" প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও বলেছেন, লেবানন সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে তারা কার্যত ‘আগুন নিয়ে খেলছে’।
১৩ মার্চ, ২০২৬
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম হিজবুল্লাহর ওই রকেট হামলাকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে গোষ্ঠীটির সামরিক ও নিরাপত্তা কার্যক্রমকে ‘বেআইনি’ বলেও ঘোষণা করেছেন। আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, লেবানন এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, যা তারা কখনোই চায়নি।
১৩ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর ঘটনায় খুব কম মানুষই অবাক হয়েছেন, যারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সংঘাত যে আবার ফিরে আসবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না; প্রশ্ন ছিল কেবল—কখন। ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর লেবানন এবং ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা ব্যাপকভাবে অস্থায়ী এবং কাঠামোগতভাবে দুর্বল হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। এর ফলে সংঘাতের মূল কারণগুলো অনেকটাই অমীমাংসিত থেকে গিয়েছিল।
১২ মার্চ, ২০২৬
বৈরুতের সমুদ্র উপকূলবর্তী (ওয়াটারফ্রন্ট) এলাকায় চালানো সর্বশেষ হামলাটি দৃশ্যত আরেকটি গুপ্তহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে খুব বেশি দূরে নেই, তবে সেনাবাহিনী আমাদের থামিয়ে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে, সেখানে আঘাত হানা কোনো গোলা বা ক্ষেপণাস্ত্র অবিস্ফোরিত অবস্থায় থাকতে পারে, আর সেই ঝুঁকির কারণে আমরা এর চেয়ে বেশি দূর এগোতে পারব না।
১২ মার্চ, ২০২৬
জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকার নবি চিত শহরে ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলায় অন্তত ৪১ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নিতে গত সোমবার ইরানপন্থী লেবানিজ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর থেকে ইসরায়েল অসংখ্য প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে এবং দক্ষিণ লেবাননে স্থল সেনা পাঠিয়েছে। তবে এর আগে তারা পূর্বাঞ্চলের এতটা গহিনে বা উত্তরাংশে কোনো অভিযান চালায়নি।
৮ মার্চ, ২০২৬
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলি স্থলবাহিনীর ওপর চালানো এক দফা হামলার দায় স্বীকার করেছে। লেবাননের ভূখণ্ডে প্রবেশ করা ইসরায়েলি সেনারাও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানপন্থি এই গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা লেবাননের ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা মারউন আল-রাস এবং কাফার কিলার মতো বেশ কয়েকটি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
৬ মার্চ, ২০২৬
সোমবার থেকে টানা চার দিনে ইসরায়েলি হামলায় মোট ৭৭ জন নিহত এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছেন। ...
৫ মার্চ, ২০২৬
গতকাল ইসরায়েল লেবাননে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধিদের (কর্মকর্তাদের) দেশ ছাড়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। ইরানিরা একে তাদের দূতাবাসের ওপর সরাসরি হুমকি হিসেবেই দেখছে। এর পাল্টা জবাবে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের মিশনে (দূতাবাসে) কোনো ধরনের হামলা হলে তারা যে কোনো ইসরায়েলি দূতাবাসে পাল্টা আঘাত হানবে।
৫ মার্চ, ২০২৬
লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, দক্ষিণ টায়ারের আল শাহাবিয়া এলাকার একটি বাড়ি এবং রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়েছে। সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, বৈরুতের ঘোবেইরি, হারেত হরেইক এবং বির আল-আবেদ এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।
৫ মার্চ, ২০২৬
গত কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী বৃহত্তর বৈরুতের অন্তর্গত হাজমিয়েহ এবং বাবদা সীমান্তবর্তী এলাকায় বোমা হামলা চালিয়েছে। কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এটি নির্দিষ্ট কাউকে গুপ্তহত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকতে পারে। মূলত 'কমফোর্ট হোটেল'-কে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঠিক কাকে বা কী লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানায়নি।
৪ মার্চ, ২০২৬
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। সেই সঙ্গে গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক কার্যক্রমও সীমিত করেছেন তিনি।
৩ মার্চ, ২০২৬
উত্তর ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
৩ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম এখন তাদের "হত্যার লক্ষ্যবস্তু" হয়েছেন। উত্তর ইসরায়েলের হাইফায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহ রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর পর লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হওয়ার পরপরই এই ঘোষণা এলো। হিজবুল্লাহ জানিয়েছিল, খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা ওই হামলা চালিয়েছিল।
২ মার্চ, ২০২৬

