লোড হচ্ছে...
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই জেনেভায় আরেক দফা শান্তি আলোচনার জন্য বসতে যাচ্ছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিশ্বনেতাদের মিলনমেলা হিসেবে পরিচিত মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন। যেখানে রাজনীতিক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সম্মেলন বৈশ্বিক রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণকারী কিছু চাঞ্চল্যকর বক্তব্যের সাক্ষী হয়েছে। ২০০৩ সালে ইরাক নিয়ে ন্যাটো মিত্রদের প্রকাশ্যে বিবাদ, ২০০৭ সালে ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষণ—যা কার্যত নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা করেছিল, কিংবা ২০২৫ সালে জেডি ভ্যান্সের ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর কড়া আক্রমণ—প্রতিটি ঘটনাই সম্মেলনের পরও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। এবারের সম্মেলনের উত্তেজনা থিতিয়ে আসার পর যেসব প্রশ্ন সামনে আসছে, তা হলো:
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইউক্রেনের ন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন ব্যুরো (ন্যাবু) জানিয়েছে, দেশ ছাড়ার চেষ্টার সময় সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী জার্মান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশাল এক দুর্নীতি কেলেঙ্কারির জেরে গত নভেম্বরে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাজ্য এবং তার ইউরোপীয় মিত্ররা জানিয়েছে, এক প্রকার বিষাক্ত ডার্ট ব্যাঙ (dart frog) থেকে তৈরি বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে রুশ বিরোধী দলীয় নেতা আলেক্সেই নাভালনিকে হত্যা করা হয়েছে। সাইবেরিয়ার এক কারাগারে নাভালনির মৃত্যুর দুই বছর পর, তার দেহে পাওয়া বিভিন্ন নমুনা বিশ্লেষণের পর ব্রিটেন এবং তার মিত্ররা এর জন্য ক্রেমলিনকে (রাশিয়া সরকার) দায়ী করেছে।
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নতুন প্রকাশিত মার্কিন বিচার বিভাগের নথিপত্র থেকে এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে—জেফরি এপস্টাইন শুধু যৌন পাচারকারীই ছিলেন না, তিনি নিজেকে একজন গ্লোবাল পাওয়ার-ব্রোকার হিসেবে গড়ে তুলতে মরিয়া ছিলেন। আর সেই খেলায় তাঁর সবচেয়ে বড় টার্গেট ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজে।
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, মস্কোতে একাধিকবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এক সিনিয়র রুশ সামরিক কর্মকর্তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাশিয়ান ইনভেস্টিগেটিভ কমিটির (আইসিআর) মুখপাত্র ভেতলানা পেত্রেঙ্কো শুক্রবার জানান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভ্লাদিমির আলেক্সিয়েভ, যিনি রাশিয়ান সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি চিফ, একটি আবাসিক ভবনে অজ্ঞাত হামলাকারীর বন্দুক হামলার শিকার হন।
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের প্রায় ৫৫ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। বুধবার (বর্তমান সময়) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নিহতের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সেনা নিখোঁজ রয়েছেন।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’ লঙ্ঘন করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ তুলেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি জানিয়েছেন, তীব্র শীতের মধ্যেও রাশিয়া তাদের ওপর বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে। আবুধাবিতে ত্রি-পক্ষীয় আলোচনার ঠিক আগের দিন এই হামলার ঘটনা ঘটে।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাশিয়ান টেলিভিশনের এক জনপ্রিয় উপস্থাপক তার শো-তে যুক্তরাজ্যের ওপর তোপ দাগলেন, উগরে দিলেন তীব্র ক্ষোভ। তার কথা শুনে আমি শুধু ভাবছি, ভাগ্যিস পারমাণবিক বোমার বোতামটা এই লোকটার হাতে নেই! ভ্লাদিমির সলোভিভ চিৎকার করে বলছিলেন, "আমরা এখনও লন্ডন বা বার্মিংহাম ধ্বংস করে দিইনি। আমরা এখনও পৃথিবী থেকে ওই ব্রিটিশ আবর্জনাগুলোকে মুছে ফেলিনি।" তার কণ্ঠে যেন একরাশ হতাশা।
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে খনি শ্রমিকবাহী একটি বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী। রোববার টেলিগ্রামে পোস্ট করে জ্বালানিমন্ত্রী ডেনিস শ্মিহাল লেখেন, "আজ শত্রুপক্ষ নিপ্রো অঞ্চলে জ্বালানি খাতের কর্মীদের ওপর একটি নির্মম ও পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে।"
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তীব্র শীত ও চরম আবহাওয়ার মানবিক দিক বিবেচনা করে আগামী সাত দিন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে কোনো ধরনের বোমা হামলা চালাবে না রাশিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৃহস্পতিবার এক ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, "অত্যন্ত বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে অনুরোধ করেছিলাম যেন এক সপ্তাহের জন্য কিয়েভ ও পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে হামলা বন্ধ রাখা হয়। তিনি আমার সেই অনুরোধে রাজি হয়েছেন।"
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
এক সপ্তাহে ব্যাটলগ্রুপ নর্থের অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর এক হাজার ১১০ জনের বেশি সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এই সময় খারকিভ ও সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক যান্ত্রিক, আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা, ন্যাশনাল গার্ড ও সীমান্তরক্ষী ইউনিটের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে নয়টি সাঁজোয়া যান, ১০৭টি সামরিক যান ও ১৮টি ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয় ১০টি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা ও কাউন্টারব্যাটারি রাডার এবং ২৩টি গোলাবারুদ ও রসদ গুদাম।
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
প্রায় চার বছর ধরে চলমান যুদ্ধ থামাতে এই প্রথম একসঙ্গে আলোচনায় বসল তিন দেশ। রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে বৈঠকে বসেছে মস্কো, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন। শুক্রবার সংযুক্ত...
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকটি যুদ্ধ থামানোর তালিকা তুলে ধরে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত তা পাননি। সেই ক্ষোভ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কুড়েকুড়ে...
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

