লোড হচ্ছে...
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এই বক্তব্যে তিনি জাতীয় ঐক্যের আহ্বান...
১২ মার্চ, ২০২৬
মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের ইঙ্গিত অনুযায়ী, ইরানের নেতৃত্ব এখনও অনেকাংশেই অটুট রয়েছে এবং সহসা তাদের পতনের কোনো ঝুঁকি নেই। এ বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
১২ মার্চ, ২০২৬
যুদ্ধে আহত হওয়ার খবর ছড়ালেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি "পুরোপুরি সুস্থ ও নিরাপদে" আছেন বলে জানিয়েছেন ইউসুফ পেজেশকিয়ান। তিনি ইরান সরকারের একজন উপদেষ্টা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে।
১১ মার্চ, ২০২৬
রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোর কথা বিবেচনা করলে, এখন পর্যন্ত দেওয়া বার্তাগুলো থেকে এটা স্পষ্ট যে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির প্রতি ইরানে জোরালো সমর্থন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে সৃষ্ট এক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত কঠিন এক পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
৯ মার্চ, ২০২৬
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তার প্রথম দিনেই নিহত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মেজো ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। যে হামলায় তার বাবা নিহত হয়েছেন, সেই একই হামলায় ৫৬ বছর বয়সী এই কট্টরপন্থি ধর্মীয় নেতার মা, স্ত্রী এবং এক বোনও নিহত হন। তবে জানা গেছে, জুনিয়র খামেনি (মোজতবা) সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং এখন পর্যন্ত ইরানের ওপর চালানো তীব্র বোমা হামলা থেকে তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন।
৯ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বাবার মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তার মেজ ছেলে মোজতবা খামেনির নাম। ইরানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে ইসরায়েলি ও পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ৪৭ বছর বয়সী এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন কট্টরপন্থি এই ধর্মীয় নেতা (ক্লেরিক)। ওই হামলায় মোজতবার মা, স্ত্রী এবং এক বোনও নিহত হয়েছেন। তবে জানা গেছে, হামলার সময় ছোট খামেনি (মোজতবা) সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং ইরানে চলা এই তীব্র বোমা হামলা থেকে তিনি এখন পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে আছেন।
৫ মার্চ, ২০২৬

