লোড হচ্ছে...
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মা নদীতে পড়ে বাসডুবির ঘটনায় আর কোনও নিখোঁজের দাবি না থাকায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সকাল ১০টায় যে...
২৮ মার্চ, ২০২৬
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নদীতে নিমজ্জিত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে দুই বছরের শিশু সাবিহা। তবে একই দুর্ঘটনায় তার সাত বছর বয়সী ভাই সাবিত এবং ফুফাতো বোন সোহানা (১১) প্রাণ হারিয়েছে।
২৭ মার্চ, ২০২৬
পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান সড়ক দুর্ঘটনাকে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থ যোগাযোগ ব্যবস্থার ফল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
২৬ মার্চ, ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এর মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ তথ্য নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস। সকালে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
২৬ মার্চ, ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে তুলে আনে। এ সময় বাসের ভেতর থেকে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে নদী থেকে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বাসটি ডুবে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৪ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশু রয়েছে। ইতোমধ্যে সকলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বাকি একজনের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে
২৬ মার্চ, ২০২৬

