লোড হচ্ছে...
প্রশাসনিক হয়রানি ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সিলেট বিভাগে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব পেট্রোল পাম্পে তেল ও সিএনজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই সিদ্ধান্তের ফলে পুরো অঞ্চলে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১২টায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির পক্ষ থেকে এই কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
২ এপ্রিল, ২০২৬
দেশের সব পেট্রোল পাম্পে কার্যক্রম তদারকি জোরদারে প্রতিটি পাম্পের জন্য একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগ জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২৮ মার্চ, ২০২৬
দেশে জ্বালানি তেলের যথেষ্ট মজুত আছে। যেখানে তেল আছে সেখানে পাম্পখোলা আছে, যেখানে নেই সেখানে বন্ধ। তবে স্থায়ীভাবে পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনও সুযোগ নেই জানিয়েছে...
২৩ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে বিশ্ব তেল-বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়, আর সেই প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশজুড়ে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের বিক্রি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২–১৮ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে ডিজেলের চাহিদা ৩৫.৩২ শতাংশ বেড়ে গেছে, অকটেন ৩৬.৮৬ শতাংশ এবং পেট্রোল ২১.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
১১ মার্চ, ২০২৬
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পেট্রোল পাম্পে হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া ভিড় নতুন করে একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে—বাস্তবেই কি জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে, নাকি গুজব, আতঙ্ক ও বাজারের কিছু সুযোগসন্ধানী পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে?
৬ মার্চ, ২০২৬

