লোড হচ্ছে...
পিলখানা হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলে, পিলখানার ঘটনার মধ্য দিয়েই দেশে ‘খুনের রাজনীতি’ শুরু হয়। ঘটনার প্রকৃত রহস্য আড়াল করতে ভুক্তভোগীদেরই দোষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল।
১৪ মার্চ, ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা। নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান, আপনারা এখনই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন। তৃণমূলকে আমরা শক্তিশালী করতে চাই।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার অপপ্রয়াস। সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বরণ করা আমাদের দায়িত্ব।
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গভীর দাগ রাখে—পিলখানা ট্র্যাজেডি। দেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে ঘটে যাওয়া এই বিদ্রোহ এবং হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা, একজন সৈনিক, দুই সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, ৯ বিজিবি সদস্য এবং পাঁচ বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন।
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০০৯ সালে পিলখানায় সেনাহত্যার ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে পুনঃতদন্ত ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘিরে দায়ের হওয়া বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় প্রথমবারের মতো আসামি করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। একই সঙ্গে তৎকালীন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীর নামও সম্পূরক চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

