লোড হচ্ছে...
পয়লা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশ এমন এক ধারণা এখন প্রায় প্রতিষ্ঠিত। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ভোরবেলা পান্তাভাত আর ইলিশ ভাজা যেন এক অনিবার্য আয়োজন। কিন্তু এই চেনা দৃশ্য কি সত্যিই বহুদিনের ঐতিহ্য? ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, গল্পটা আসলে একটু ভিন্ন। পান্তাভাতের শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। বাংলার গ্রামীণ জীবনে এটি ছিল একেবারেই সাধারণ খাবার-সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখার কার্যকর উপায়। মধ্যযুগীয় সাহিত্যেও এর উপস্থিতি দেখা যায়। মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ‘আমানি’ শব্দটি দিয়ে পান্তার জলীয় অংশের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ‘আমানি’ ঘিরেই ছিল এক ধরনের আঞ্চলিক কৃষিভিত্তিক উৎসব, যেখানে ভেজানো ভাত খাওয়ার রেওয়াজ ছিল। গ্রামের মানুষ পান্তা খেতেন নুন, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ কিংবা ভর্তার সঙ্গে। কখনো ছোট মাছ থাকত, কিন্তু ইলিশ ছিল বিলাসী খাবার-সব সময়ের নাগালে নয়। ফলে পান্তা আর ইলিশের যুগলবন্দি ছিল না গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ মানেই রঙিন পোশাক, শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ আর দিনভর ঘোরাঘুরি। তবে এই আনন্দের মধ্যেই থাকে আরেকটি বাস্তবতা সেটি হচ্ছে- তীব্র গরম আর কাঠ ফাটা রোদ। এই দিনের আনন্দ যেন বিষাদে পরিণত না হয়, সেজন্য উৎসবের দিনটিতে নিজের ও পরিবারের সুস্বাস্থ্যের প্রতি বাড়তি নজর দেয়া জরুরি।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
বছর ঘুরে আবারও চলে এলো বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। বৈশাখ মানেই রঙিন পোশাক, পান্তা-ইলিশ, শোভাযাত্রা, মেলা আর উৎসবের উচ্ছ্বাসে ভরা এক দিন। এই দিনটিকে ঘিরে সবার মধ্যেই থাকে আলাদা উত্তেজনা। বন্ধু-পরিবারের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা আর দিনভর আনন্দে মেতে থাকা-সব মিলিয়ে বৈশাখ হয়ে ওঠে স্মরণীয় একটি উৎসব।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ আজ। হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক এই দিনটি নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে আবারও একত্র...
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পহেলা বৈশাখ মানেই ভোর থেকে শুরু হওয়া উৎসব, রোদে ঘোরা, শোভাযাত্রা, ভিড় আর সারাদিনের আনন্দ। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় গরম, ঘাম আর ধুলোর কারণে অনেক...
১৩ এপ্রিল, ২০২৬

