লোড হচ্ছে...
পদ্মার ভাঙনে শুধু ঘরবাড়ি নয়, চরাঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, যোগাযোগ ও সামাজিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনটি বিদ্যালয় নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে বসতভিটা হারানো পরিবারগুলোর সামনে নতুন করে বাসস্থান ও জীবিকা নিশ্চিত করার প্রশ্নও দেখা দিয়েছে।
২ দিন আগে
পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান সড়ক দুর্ঘটনাকে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থ যোগাযোগ ব্যবস্থার ফল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
২৬ মার্চ, ২০২৬
ঈদযাত্রার তৃতীয় দিনে ঢাকা–ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। এতে টোল প্লাজা এলাকায় মাঝেমধ্যে যানজটের সৃষ্টি হলেও সামগ্রিকভাবে চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
১৯ মার্চ, ২০২৬
পদ্মা সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে, তবুও কোনো যানজট নেই। এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে সেতু পাড়ি দিয়ে ঈদ যাত্রায় ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছেন। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছু গাড়ির সংকট থাকায় যাত্রীরা খোলা ট্রাকেও ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
১৮ মার্চ, ২০২৬
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ থেকে জানিয়েছেন, উদ্বোধনের পর থেকে আজ পর্যন্ত পদ্মা সেতু থেকে সংগৃহীত মোট টোলের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা...
২১ জানুয়ারি, ২০২৬

