লোড হচ্ছে...
লেবাননের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈরুতের পক্ষ থেকে একাধিকবার আলোচনার আহ্বানের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১০ এপ্রিল, ২০২৬
দক্ষিণ ইসরায়েলের দুটি শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে “খুবই কঠিন সন্ধ্যা” বলে অভিহিত করেছেন। হামলার প্রত্যক্ষ আঘাতে দুটি আবাসিক ভবনের সামনের অংশ বিধ্বস্ত হয়ে গেছে এবং মাটিতে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে।
২২ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সংঘাত যতই দীর্ঘ হয়, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উপসাগরীয় মিত্ররা সব ব্যালেন্স করতে গিয়ে চাপে পড়েছেন।
২০ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লক্ষ্যবস্তু করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। রবিবার তাদের নিজস্ব সংবাদমাধ্যম 'সেপাহ নিউজ' ওয়েবসাইটের এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর উদ্দেশ্যে রেভল্যুশনারি গার্ড জানায়, “আমরা সর্বশক্তি দিয়ে তাকে ধাওয়া করা ও হত্যার চেষ্টা অব্যাহত রাখব।”
১৫ মার্চ, ২০২৬
জানুয়ারি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে সম্ভবত ইসরায়েলের ধূর্ত নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হিসেবে দেখেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শেষমেশ ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালাতে রাজি করানো। ভেনিজুয়েলায় নিজের অভাবনীয় সাফল্যে উজ্জীবিত ট্রাম্প সম্ভবত নেতানিয়াহুর যুক্তিতে প্রভাবিত হয়েছিলেন। নেতানিয়াহু বুঝিয়েছিলেন যে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানের বর্তমান ধর্মীয় সরকার এখন সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় আছে এবং সহজেই তাদের পতন ঘটানো সম্ভব, যা ট্রাম্পকে আরেকটি দ্রুত বিজয়ের স্বাদ দেবে।
১৩ মার্চ, ২০২৬
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আজ দিনের শুরুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন। বর্তমান সংঘাত চলাকালে এই প্রথম তিনি ইসরায়েলি সাংবাদিকদের সামনে এসে কথা বললেন এবং তাঁদের প্রশ্নের জবাব দিলেন।
১৩ মার্চ, ২০২৬
বুধবার ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান থেকে নামার পরপরই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর উষ্ণ আলিঙ্গন দুই দেশের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার প্রতীক হয়ে ওঠে। মোদির দুই দিনের এই সফরে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভারত ও ইসরায়েলের গভীর সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর গণহত্যার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গাজায় ইসরায়েলের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত "পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে" দেশটির পাশে দাঁড়িয়েছে। বুধবার তার দুই দিনের সফরের প্রথম দিনে মোদি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট বা 'নেসেট'-এ ভাষণ দেন। ইসরায়েলের প্রতি ভারতের অটুট সমর্থনের ওপর জোর দেওয়ায় তিনি দাঁড়িয়ে সম্মান (স্ট্যান্ডিং ওভেশন) পান। এই প্রথম কোনো ভারতীয় নেতা নেসেটে ভাষণ দিলেন।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইসরায়েলে দুই দিনের সফর শুরু করতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০১৭ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটি সফর করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের বিরোধিতাকারী দেশগুলোর মধ্যে ভারত ছিল অন্যতম। কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের নীতির কঠোর সমালোচক এবং আরব বিশ্বের বাইরের অন্যতম সোচ্চার কণ্ঠস্বর ছিল নয়াদিল্লি। ১৯৯২ সালে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়, তবে ২০১৪ সালে মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছায়।
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার প্রথম সফরের নয় বছর পর, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলে দুই দিনের সফর শুরু করতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০১৭ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল সফর করেছিলেন। তার এই আসন্ন সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ভারত—প্রাথমিক দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে—বিশ্বের শতাধিক দেশের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ডি ফ্যাক্টো (বাস্তবত) সম্প্রসারণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০১৭ সালের ৪ জুলাই তেল আবিবের উপকণ্ঠে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান অবতরণ করে। টারমাকের লাল গালিচার অন্য প্রান্তে তাকে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন ইসরায়েলি সমকক্ষ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের শান্তিচুক্তির অংশীদার মিশরকে ঘিরে হঠাৎ করেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দেশটির সামরিক সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে দাবি করে তিনি মিশরের সেনাবাহিনীর “অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চয়” ঠেকানোর আহ্বান জানিয়েছেন। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যকে ঘিরে ইসরায়েল-মিশর সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ‘বোর্ড অফ পিস’ বা ‘শান্তি পর্ষদ’-এ যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বুধবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ঘোষণার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গাজায় ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে এই ‘বোর্ড অফ পিস’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২১ জানুয়ারি, ২০২৬

