লোড হচ্ছে...
ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে শত্রুতা বাড়ার সাথে সাথে পাকিস্তান অভিযোগ করেছে যে, আফগানিস্তানের তালিবান সরকার ভারতের ‘প্রক্সি’ বা ক্রীড়নক হিসেবে কাজ করছে। শুক্রবার ভোরে কাবুলের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানের বোমা হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ লেখেন, ২০২১ সালের জুলাই মাসে আফগানিস্তান থেকে ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর "প্রত্যাশা ছিল যে আফগানিস্তানে শান্তি ফিরে আসবে এবং তালিবান আফগান জনগণের স্বার্থ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দিকে মনোযোগ দেবে।"
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দুই দেশের সীমান্তে সংঘাত বৃদ্ধির মধ্যেই আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও অন্যান্য শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। শুক্রবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, আফগানিস্তানের তালেবান কর্তৃপক্ষের ওপর ইসলামাবাদের ধৈর্য শেষ হয়ে গেছে। তিনি ঘোষণা দেন যে, দুই দেশ এখন "প্রকাশ্য যুদ্ধে" লিপ্ত।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি বড় শহরে বোমা হামলা এবং ইসলামাবাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কর্তৃক প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণার পর আফগানিস্তানের তালেবান নেতারা জানিয়েছেন, তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। গত কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের জেরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার পাকিস্তান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, তালেবান নেতাদের ঘাঁটি কান্দাহার এবং অন্যান্য শহরে হামলা চালায়। একই সঙ্গে সীমান্তেও লড়াই অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা জানিয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা রাতারাতি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান বিমানবাহিনী নানগারহার প্রদেশে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করেছে এবং একটি প্রধান অস্ত্রাগার ধ্বংস করেছে। শুক্রবার এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে বিনা উসকানিতে পাকিস্তানি অবস্থানে হামলার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে আফগান তালেবান সরকারের অন্তত ১৩৩ জন সদস্য নিহত এবং ২০০-এর বেশি আহত হয়েছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

