লোড হচ্ছে...
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে মিজলস (হাম) প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
৫ এপ্রিল, ২০২৬
রবিবার থেকে ৩০ উপজেলায় বিশেষ হাম টিকাদান কার্যক্রম শুরু বলে জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল । দেশে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি নির্বাচিত উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হবে।
৪ এপ্রিল, ২০২৬
বাংলাদেশে শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় টিকার সাম্প্রতিক সংকট নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। এই সংকটের পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেয়া কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বাস্তবায়নে ঘাটতির বিষয়টি...
২ এপ্রিল, ২০২৬
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, হঠাৎ হাম (হ্যাম) প্রাদুর্ভাব এমনভাবে এসেছে যে কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) তিনি এই কথা বলেন। এর আগে বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী হাম প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। আগামী রোববার (৪ এপ্রিল) থেকে মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম কার্যকর হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।
২ এপ্রিল, ২০২৬
একটি সুস্থ ও সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিশুকে টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন্মের পর থেকেই সঠিক সময়সূচি মেনে টিকা নিলে শিশু বিভিন্ন সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকে এবং তার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুকে ১০টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া হয়।
১ এপ্রিল, ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, দেশে হামের টিকায় কোনো স্থায়ী সংকট নেই। তিনি বলেন, কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য ও সমন্বয়হীনতা জনমনে অযথা আতঙ্ক তৈরি করছে। তিনি জনগণ ও গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো খবর প্রকাশ করা উচিত নয়।”
৩০ মার্চ, ২০২৬
২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে হাম শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল; অথচ জানা গেলো এক শেষ মাসের মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে ৪১ জন মারা গেছে! খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে গাফিলতির কারণে সফল একটি কর্মসূচি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ----
৩০ মার্চ, ২০২৬

