লোড হচ্ছে...
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক শর্মার ব্যাটিংয়ের অন্যতম নাটকীয় দিক হলো—দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন যে, তিনি তার প্রথম বলটিতে কী করবেন। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার স্নায়ু কীভাবে কাজ করে, বা তিনি আদৌ পরিস্থিতির তোয়াক্কা করেন কি না, তা দেখার বিষয়। যারা গত কয়েক বছরে প্রশ্ন করেছেন, তাদের জন্য তার উত্তর সোজাসাপ্টা: এই ফরম্যাটে তার একটাই পরিকল্পনা—জোরে বল মারা। সেখান থেকেই তার যাবতীয় সাফল্য।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সুনীল গাভাস্কার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, 'শূন্যের' গেরো কাটাতে তার উচিত একটি সিঙ্গেল নেওয়া। সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক এবং নিজেও একজন ওপেনার হিসেবে তিনি ধুঁকতে থাকা অভিষেক শর্মাকে বলেছিলেন, "তার উচিত জোর করে আড়াআড়ি ব্যাটে বড় শট খেলার চেষ্টা না করা। একটি সিঙ্গেল নিয়ে রানের খাতা খোলা উচিত। এমনকি চারটি ডট বল হলেও কিছু যায় আসে না।" ওপেনার অভিষেক বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে বিশ্বকাপে তার টানা ডাক বা শূন্য রানের ধারা ভাঙেন এবং ফর্মে ফেরার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আশা জাগান। তবে শেষ পর্যন্ত তা খুব একটা কাজে আসেনি, কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি এবং তার দল উভয়ই ডুবেছে।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অভিষেক শর্মাকেই ভাবা হচ্ছিল ভারতের 'তুরুপের তাস'। অথচ ভারতের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ হলেও বিশ্বসেরা টি-টোয়েন্টি ব্যাটারের ব্যাট থেকে কোনো রান আসেনি। তিন ম্যাচে শূন্য রান—বিষয়টি আসলেই গভীর চিন্তার কারণ। আগামী রবিবার সুপার এইট পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের পরবর্তী ম্যাচ, তাই অভিষেকের হাতে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় খুব কম। ব্যাটিং কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার বলছেন, অভিষেককে "প্রত্যাশার ভার" ভুলে উইকেটে সময় কাটাতে হবে এবং বড় শট খেলার আগে নিজেকে থিতু হতে হবে। খেলা তিনটি ম্যাচে অভিষেক সব মিলিয়ে মাত্র আটটি বল ক্রিজে টিকেছিলেন।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের পাকিস্তানি ঘোষণাকে কটাক্ষ করেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ব্যাটার সুনীল গাভাস্কার। তাঁর মন্তব্য—যেভাবে পাকিস্তানের অনেক ক্রিকেটার অবসরের ঘোষণা দিয়ে আবার ফিরে আসেন, ঠিক তেমনভাবেই চাপ বাড়লে এই বয়কট সিদ্ধান্ত থেকেও পাকিস্তান ‘ইউ-টার্ন’ নিতে বাধ্য হতে পারে।
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

