লোড হচ্ছে...
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও জমেছে যুদ্ধের কালো মেঘ । আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী অঞ্চলে পৌঁছানোর পর উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই ইরানের পাশে দাঁড়াল তাদের একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের ওপর হামলার জন্য সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজছে। আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ অঞ্চলে পৌঁছানোর পর উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে আশ্বস্ত করলেন। যুবরাজ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপের জন্য সৌদি আরবের মাটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির কর্তৃপক্ষের মতে, কোনো ধরনের আক্রমণ হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। এদিকে দেশজুড়ে চলমান প্রাণঘাতী বিক্ষোভ এবং টানা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মধ্যেই ধরপাকড় আরও জোরদার করেছে ইরান সরকার।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানের প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই রোববার (২৫ জানুয়ারি) স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভে যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর ওপর হামলা করেছে এবং ধ্বংসাত্মক কাজের নেপথ্যে উসকানি দিয়েছে, তাদের কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানের উপর কড়া নজর রাখতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে বিশাল এক মার্কিন নৌবহর বা ‘আর্মাডা’ এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তারাও নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানে সাম্প্রতিক সময়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা নিয়ে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ দমনের সময় অন্তত ৩,১১৭ জন নিহত হয়েছেন।
২২ জানুয়ারি, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের ক্ষেত্রে তার লক্ষ্য হলো ‘জয়’ নিশ্চিত করা। কিন্তু বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে থাকা ইরানের কট্টর আদর্শিক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ‘সহজ জয়ের’ পথ খোলা নেই।
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

