লোড হচ্ছে...
ইরানি বাহিনী জানিয়েছে, তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে—একটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এবং অন্যটি হরমুজ প্রণালীর কাছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের একজন মুখপাত্র শুক্রবার বলেছেন যে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে পুরোপুরি ধ্বংস করেছে। দিনের পরের দিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা একটি এ-১০ মার্কিন বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করে, যা উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়।
৪ এপ্রিল, ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশটির দক্ষিণাঞ্চল থেকে মানুষকে বিতাড়িত করার একটি কৌশলের অংশ। লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুসারে, সাম্প্রতিক হামলা তীব্রতর হওয়ার এক মাসের মধ্যেই ইসরায়েল ৫৩ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে হত্যা করেছে, ৮৭টি অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা কেন্দ্র ধ্বংস করেছে এবং পাঁচটি হাসপাতাল বন্ধ করতে বাধ্য করেছে।
৩ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের প্রেস টিভি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারির একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছে। এতে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার হুমকি অব্যাহত রাখে, তবে তেহরান এই অঞ্চলের সেইসব জ্বালানি অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংস্থাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে, যেগুলোতে আমেরিকানদের অংশীদারিত্ব রয়েছে। এর আগেও ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বারবার মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান প্রযুক্তি সংস্থাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছেন।
৩ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর শুক্রবার দাবি করেছে যে, তারা একটি নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে মধ্য ইরানের আকাশে দ্বিতীয় একটি মার্কিন এফ-৩৫ স্টিলথ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তবে পেন্টাগন এই দাবিটি নিশ্চিত করেনি এবং স্বতন্ত্র বিশ্লেষকরা বলেছেন যে, ধ্বংসাবশেষটি সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
৩ এপ্রিল, ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক নতুন হুমকি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের অবশিষ্ট অবকাঠামোগুলো ধ্বংস করা ‘এখনও শুরুই করেনি’। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী, যা বিশ্বের যেকোনো জায়গার চেয়ে (অনেক বেশি!) শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী, ইরানে যা অবশিষ্ট আছে তা ধ্বংস করা এখনও শুরুই করেনি। এবার সেতুর পালা, তারপর বিদ্যুৎ কেন্দ্র!”
৩ এপ্রিল, ২০২৬
মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দেশটির প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সেনাপ্রধান র্যান্ডি জর্জের পাশাপাশি আরও দুই জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ এবং সামরিক বিষয়ক প্রকাশনা ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরখাস্ত হওয়া অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন ইউএস আর্মির ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড ট্রেনিং কমান্ডের প্রধান জেনারেল ডেভিড হোডনে এবং সেনাবাহিনীর চ্যাপলিন কর্পসের প্রধান মেজর-জেনারেল উইলিয়াম গ্রিন জুনিয়র। এই দুই কর্মকর্তাকেও তাদের নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
৩ এপ্রিল, ২০২৬
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমাগত অবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এবং এই 'মৃত্যু ও ধ্বংসের ঘূর্ণিপাক' অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। গুতেরেস বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যতদিন এই যুদ্ধ চলবে, ততদিন মানুষের দুর্ভোগ ও ধ্বংস বাড়তেই থাকবে, নির্বিচার হামলা বাড়বে এবং আমাদের বিশ্বের জন্য বিপদও বাড়তে থাকবে।”
৩ এপ্রিল, ২০২৬
মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা র্যান্ডি জর্জ তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। জানা গেছে, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ তাকে অবিলম্বে অবসর গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, সেনাবাহিনীর ৪১তম চিফ অফ স্টাফ পদে থাকা জর্জ অবসর গ্রহণ করছেন।
৩ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানি গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে, ইরানের ফার্স প্রদেশে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC)-এর একজন জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শিরাল শহরের আকাশে একটি ইসরায়েলি হার্মিস ৯০০ ড্রোনকে বাধা দিয়ে ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গতকাল তারা ইরানের রাজধানীতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC)-এর অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে।
২ এপ্রিল, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলার হুমকি দেওয়ার পর, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এই সংঘাতে জড়িত সকল পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে মাও বলেন, "সামরিক উপায়ে কোনো সমস্যার মৌলিক সমাধান সম্ভব নয় এবং সংঘাতের বৃদ্ধি কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক নয়।" তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার জন্য জোর আহ্বান জানান।
২ এপ্রিল, ২০২৬
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ টেলিভিশন জানিয়েছে, ইরান থেকে দেশটির উত্তরাঞ্চলের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করা হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড (বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ) আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
২ এপ্রিল, ২০২৬
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ টেলিভিশন জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর রকেটের আঘাতে মধ্য ইসরায়েলের বনেই ব্রাক শহরে খসে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে চারজন ‘সামান্য আহত’ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাত মাস বয়সী দুটি শিশুও রয়েছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা অধিকৃত হাইফা শহরের পূর্বে ‘কিরিয়াত আতা এলাকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক রকেট হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটি আরও জানায়, তারা দক্ষিণ লেবাননের আইনাতা শহরে আগ্রাসনকারী ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং উত্তর ইসরায়েলের মালকিয়া ও মেতুলা শহরেও রকেট নিক্ষেপ করেছে।
২ এপ্রিল, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংক্ষিপ্ত ভাষণে নতুন কোনো বড় ঘোষণা ছিল না, বরং চারটি পুরোনো যুক্তিরই পুনরাবৃত্তি ছিল: যুদ্ধটি প্রয়োজনীয়; এতে ইতিমধ্যেই জয় হয়েছে; এটি অবশ্যই চলতে থাকবে; এবং এটি শীঘ্রই শেষ হবে—এই সব কথাই তিনি প্রতিদিন বলে আসছেন। যুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে এমন উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরা সত্ত্বেও, ট্রাম্প সংঘাতের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বলেই মনে হচ্ছে।
২ এপ্রিল, ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি অত্যন্ত হুমকিমূলক সুরে কথা বলেছেন এবং এটি স্পষ্ট যে এই যুদ্ধ অন্তত আরও দুই বা তিন সপ্তাহ ধরে চলতে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ভাষণে অর্থনীতির প্রসঙ্গটিও তুলে আনেন। তিনি স্বীকার করেন যে সাধারণ মানুষ জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি দেখতে পাচ্ছে, কিন্তু এর জন্য তিনি ইরানের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। নিজে যুদ্ধ শুরু করার বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান।
২ এপ্রিল, ২০২৬
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী আইডিএফ দাবি করেছে, তারা এইমাত্র ইরানের "সরকারী অবকাঠামো ও স্থাপনা লক্ষ্য করে একটি কার্যকরী ও ব্যাপক হামলা সম্পন্ন করেছে।” ঘটনার সত্যতা যাচাই করে একের পর এক স্থাপনায় মিসাইল হামলার কথা জানিয়েছে ইরানী গনমাধ্যমগুলো। তাদের বরাতে জানা যায়, দেশটির আহভাজ, শিরাজ, ইসফাহান, কারাজ, কেরমানশাহ এবং বন্দর আব্বাস-সহ বেশ কিছু শহর থেকে হামলার খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরায় প্রকাশিত স্থিরচিত্রে দেখা যায় বিভিন্ন স্থানে মিসাইল হামলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে স্থানগুলো। বার্তা সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, কর্মরত একটি স্বাস্থ্য সংস্থার অন্তত দশজন নার্স নিহত হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রধান বলেন "নার্সদেরকে তাদের দায়িত্ব পালনের স্থানেই হত্যা করা হয়েছে। তাদের সেই হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে।"
১ এপ্রিল, ২০২৬
তেহরান-ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব সাইয়্যেদ আল-শুহাদা (কেএসএস)-এর কমান্ডার ইরানে স্থলপথে আক্রমণের মার্কিন হুমকির জবাবে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। এক্সে (X) পোস্ট করা এক বিবৃতিতে আবু আলা আল-ওয়ালাই বলেছেন, এমন পদক্ষেপ সংঘাতকে ‘সীমিত যুদ্ধ থেকে সর্বাত্মক যুদ্ধে’ পরিণত করবে।
১ এপ্রিল, ২০২৬
আকস্মিকভাবে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ওয়াশিংটন। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আশা করছেন যে মার্কিন সামরিক বাহিনী “দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যেই” ইরান ছেড়ে যাবে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “আমরা চলে যাচ্ছি কারণ আমাদের এখানে থাকার কোনো কারণ নেই।” তিনি আরও বলেন, “আমরা খুব শীঘ্রই চলে যাব।”
১ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট ইসফাহানের কাছে একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তারা ড্রোনটিকে ‘আগ্রাসী শত্রু’ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বলে বর্ণনা করেছে। আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সামরিক জনসংযোগ কর্মকর্তারা বলেছেন, মঙ্গলবার ড্রোনটিকে শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। এ নিয়ে ইরান মোট ১৪৬টি ড্রোন ভূপাতিত করল।
৩১ মার্চ, ২০২৬
আমি গাজায় অনেক মৃত্যু দেখেছি। সেগুলো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না; ছিল নৃশংস ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় সমাহিত স্বাস্থ্যকর্মীদের লাশ খুঁড়ে বের করার সেই ভয়াবহ দৃশ্য আমার স্মৃতিতে চিরস্থায়ী হয়ে আছে। গত বছর আমি ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা সমন্বয়কারী হিসেবে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলাম। সে সময় দক্ষিণ গাজায় 'প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি' (PRCS) এবং সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ হন। তারা নিহত হওয়ার পর এক সপ্তাহ পর্যন্ত আমরা জানতাম না তারা জীবিত না মৃত। প্রতিদিন আমরা তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী আমাদের পথ আটকে দেয়। আমরা দেখেছি রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষের ওপর সেনারা গুলি চালাচ্ছে।
৩১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে দরপতন ঘটেছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। জিএমটি সময় অনুযায়ী রাত ১টার দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সূচক কোসপি ৩.৮২ শতাংশ বা ২০০ পয়েন্টের বেশি কমে ৫,০৭৫.৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
৩১ মার্চ, ২০২৬

