লোড হচ্ছে...
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণের বেহাল দশা লক্ষ্য করেন। তিনি জানান, স্টেডিয়ামটি বর্তমানে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে এবং এটি মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এমনকি স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও ব্লাস্ট চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
১ মার্চ, ২০২৬
প্রাণঘাতী দেশব্যাপী বিক্ষোভের এক মাস পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার দ্বিতীয় দিনেও তেহরানসহ সারা দেশে হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। জানুয়ারির ৮ ও ৯ তারিখের রাতে রাষ্ট্র-আরোপিত যোগাযোগ ব্যবস্থা বা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়। একই সঙ্গে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আরেকটি যুদ্ধের হুমকির মুখে রয়েছে। রাজধানীর শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান—যার মধ্যে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি, আমিরকবির বিশ্ববিদ্যালয় এবং শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম—সেখানে রবিবারের বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গত মাসে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী বিক্ষোভের পর ইরানি কর্তৃপক্ষ ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। দেশটির ধসে পড়া অর্থনীতি যখন জনগণ ও ব্যবসায়ীদের ওপর বড় ধরনের আঘাত হানছে এবং সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি জটিল কূটনৈতিক পথে হাঁটছে, ঠিক তখনই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ঢাকায় যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ আন্দোলনে আহত রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ অন্যান্যদের উপর হামলার বিচারের দাবিতে রাজশাহীর তালাইমারী মোড়ে...
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভোলা ও চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রশিবির।...
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থার পর মধ্যরাতে বন্দর এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা আমলে নিয়ে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বন্ধ করা হয়েছে—এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানের অর্থনীতির বিপর্যয়ের প্রতিবাদে চলমান অস্থিরতা ও বিক্ষোভের পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (১২জানুয়ারি) তেহরানে নিযুক্ত বিদেশি...
১২ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০০-এর ও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানায় ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) এই তথ্য জানায় সংস্থাটি। যদিও ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। অন্যদিকে রয়টার্সও এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
১২ জানুয়ারি, ২০২৬
অর্থনৈতিক সংকটের জেরে ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া...
১১ জানুয়ারি, ২০২৬
যারা বিক্ষোভে অংশ নেবেন, তাদের ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে হুশিয়ারী দিলেন ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ। আর ইরানের আইনে এ অভিযোগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। খবরটি জানায় এনডিটিভি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, এমনকি যারা ‘দাঙ্গাকারীদের সহায়তা করেছেন’, তারাও একই অভিযোগের মুখোমুখি হবেন।
১১ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে । বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোঁড়া হচ্ছে গুলি। গেল ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
১১ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানের তেহরানের একটি মসজিদে আগুন ও ১৯৭৯ সালের বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের পতাকা উড়িয়েছে বিক্ষোভকারীরা। তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় টানা দুই রাত তীব্র সরকার বিরোধী আন্দোলন হয়েছে।...
১০ জানুয়ারি, ২০২৬
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪৫ জন । মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে এ খবর নিশ্চিত করে ফক্স নিউজ। রাজধানী তেহরান ছাড়াও কোম, ইসফাহান, বন্দর আব্বাস ও বোজনুর্দ শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
৯ জানুয়ারি, ২০২৬

