লোড হচ্ছে...
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন কংগ্রেসনাল প্যানেলের কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের অপরাধ সম্পর্কে তিনি "কিছুই জানতেন না" এবং "কোনো ভুল কাজ করেননি"। নিউইয়র্কে রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত এই দিনব্যাপী শুনানিতে সাবেক প্রেসিডেন্টকে অর্থদাতা এপস্টাইনের সাথে সম্পর্কিত নতুন প্রকাশিত নথি এবং অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সাথে হট টবে (hot tub) তোলা একটি ছবির বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল মত দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন যেসব নির্যাতন চালিয়েছেন, তা মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞায় পড়তে পারে। মঙ্গলবার, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল (ইউএনএইচআরসি) কর্তৃক নিযুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা এপস্টেইনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের প্রকাশ করা লাখ লাখ নথির প্রতিক্রিয়ায় একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নথিপত্র প্রকাশের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে "তথ্য গোপন করার" অভিযোগ তুলেছেন হিলারি ক্লিনটন। বার্লিনে বার্ষিক ওয়ার্ল্ড ফোরামে অংশ নেওয়া সাবেক এই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, "ফাইলগুলো প্রকাশ করুন। তারা ইচ্ছে করেই ধীরে কাজ করছে।" হোয়াইট হাউজ অবশ্য দাবি করেছে যে, ডেমোক্র্যাটরা ভুক্তভোগীদের জন্য যা করেছে, ফাইলগুলো প্রকাশ করে তারা তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করেছে।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে) দাবি করেছে যে, ‘এপস্টাইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব নথি তারা প্রকাশ করেছে। তবে আইনপ্রণেতারা পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন যে, এই প্রকাশনা যথেষ্ট নয় এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখনো আড়ালে রয়ে গেছে।
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সোমবার মার্কিন কংগ্রেসে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার জবানবন্দিতে গিসলাইন ম্যাক্সওয়েল প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। জেফরি এপস্টাইনের তদন্ত সংক্রান্ত নথিপত্র প্রকাশের পক্ষে কাজ করা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের এক সদস্য এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মার্কিন বিচার বিভাগের (DOJ) তদন্ত সংক্রান্ত ফাইলে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে নাবালিকার সঙ্গে যৌন সংসর্গের দায়ে এপস্টাইনের সাজা হওয়ার পরও ম্যানডেলসন তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। তবে বর্তমানে ম্যানডেলসনের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো, তিনি প্রয়াত এই বিতর্কিত ধনকুবেরের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন এবং শেয়ার বাজারের সংবেদনশীল গোপন তথ্য তার কাছে পাচার করেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যৌন কেলেঙ্কারি ও পাচারের অভিযোগে দ্বিতীয়বার বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আগেই কারাগারে আত্মহত্যা করেন এপস্টাইন। বৃহস্পতিবার, এপস্টাইনের সঙ্গে ম্যানডেলসনের সম্পর্ক জানা সত্ত্বেও তাকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের জন্য এপস্টাইনের শিকারদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের ব্যক্তিগত কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না, তবুও সেই বিতর্কিত ব্যক্তির কারণেই স্টারমার এখন প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর গুরুতর শঙ্কায় রয়েছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সেই কলঙ্কিত অর্থলগ্নিদাতার (এপস্টাইন) কিছু তদন্ত ফাইলে থাকা সত্ত্বেও তার এমন কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গত দুই মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ (DOJ) জেফরি এপস্টাইনের যৌন পাচার তদন্ত সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন, সরকারের পর্যালোচনা শেষ এবং নতুন করে কাউকে অভিযুক্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইছেন জাতি এখন এই বিষয়টি ভুলে সামনে এগিয়ে যাক।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিলিয়নেয়ার ও সমাজসেবী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস বলেছেন, কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের নতুন নথিতে তার সাবেক স্বামী ও মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নাম উঠে আসাটা তার ‘‘বৈবাহিক জীবনের বেদনাদায়ক সময়গুলোর’’ স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং তার স্ত্রী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তে কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে হাউস ওভারসাইট কমিটির সামনে হাজিরা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিলেন ক্লিনটন দম্পতি। এ নিয়ে অচলাবস্থার জেরে তাদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল কনটেম্পট’ বা অপরাধমূলক অবমাননার অভিযোগ আনার বিষয়ে ভোটাভুটির মাত্র কয়েক দিন আগেই এই সম্মতির কথা জানালেন তারা।
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

