লোড হচ্ছে...
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আলী লারিজানি এবং তার সঙ্গীদের হত্যার জবাবে তাদের মিসাইলগুলো ইসরায়েলের "হৃদপিণ্ডে ১০০টিরও বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে"। ফারস নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইসরায়েলের "বহুস্তরবিশিষ্ট এবং অতি-উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা" ধসে পড়ায় এই স্থানগুলোতে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। এই "প্রতিশোধমূলক" হামলায় খোররমশহর-৪, কদর, ইমাদ এবং খাইবারশেকান মিসাইল ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে আইআরজিসি।
১৮ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বা সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওই পরিষদ। এর আগে ইসরায়েল দাবি করেছিল যে, তারা এক বিমান হামলায় তাকে হত্যা করেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে জানায়, "শহীদদের পবিত্র আত্মা আল্লাহর নেক বান্দা, শহীদ ড. আলী লারিজানির পবিত্র আত্মাকে আলিঙ্গন করেছে।" পরিষদ আরও জানায়, তার ছেলে এবং দেহরক্ষীরাও তার সাথে নিহত হয়েছেন।
১৮ মার্চ, ২০২৬
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। লারিজানি ইরানের বেঁচে থাকা সর্বজ্যেষ্ঠ নেতাদের একজন ছিলেন।
১৭ মার্চ, ২০২৬

