
আরচারির র্যাংকিং রাউন্ডে রামকৃষ্ণ সাহা, নেওয়াজ আহমেদ রাকিব, ঐশ্বর্য্য রহমান আর বন্যা আক্তার এশিয়ান গেমসে দারুণ সূচনা করেছেন। আজ প্রথমদিন তীর ধনুক হাতে নেমেই একে একে ছুঁয়ে ফেললেন নিজেদের ক্যারিয়ার সেরা স্কোর।
কিন্তু সংখ্যার এই উজ্জ্বলতা তো কেবল সূচনা; আসল লড়াই শুরু হচ্ছে রোববার থেকে। যেখানে প্রতিটি তীর নির্ধারণ করবে টিকে থাকা বা বিদায়ের ভাগ্য, আর শেষ প্রান্তে অপেক্ষা করছে পদকের হাতছানি। আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে সেই পদক ছুঁতে পারলে বাংলাদেশী তীরন্দাজদের জন্য অপেক্ষা করছে আর্থিক পুরস্কারও।
বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল একইসাথে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়ার সভাপতির পদও; তিনিই ঘোষণা করেছেন এই পুরস্কারের অঙ্ক।
কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেন, ‘স্বর্ণজয়ে ১০ লাখ, রুপার জন্য পাঁচ লাখ এবং ব্রোঞ্জ জিতলে তিন লাখ টাকা পুরস্কার পাবেন আরচারি খেলোয়াড়রা। তাদের উজ্জীবিত করতে ফেডারেশনের তরফে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।’
গেমসের ময়দানে বাংলাদেশের উপস্থিতি এবার বেশ বিস্তৃত। ছেলেদের রিকার্ভ বিভাগে ব্যক্তিগত ও দলগত লড়াইয়ের পাশাপাশি লড়ছে মিশ্র দলগত ইভেন্টও। কম্পাউন্ড বিভাগেও একই ছবি—ব্যক্তিগত, দলগত ও মিশ্র দলগত, তিন ইভেন্টেই লড়ছেন লাল-সবুজের তীরন্দাজরা। শনিবার সবগুলো ইভেন্টের র্যাংকিং রাউন্ড শেষ হওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে কে কার প্রতিপক্ষ। রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে এলিমিনেশন রাউন্ড—যে রাউন্ডে জয় মানেই এগিয়ে যাওয়া, আর হার মানেই বিদায়।
গেমস শুরুর আগে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ইভেন্টের তালিকায় অন্যতম ছিল আরচারি। শুরুটা হতাশ করেননি আরচাররা। এবার অপেক্ষা পরের রাউন্ডের।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








