
ভারতের যুব নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলনের দুই নেতার আটকাদেশ সোমবার আরো দুই দিন বাড়িয়েছেন নয়াদিল্লির একজন ম্যাজিস্ট্রেট। পাঁচ দিন আগে তাদের হেফাজতে নেয়া হয়েছিল।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থান উপেক্ষা করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সিজেপির কর্মী ও বিরোধী দলগুলো। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন দলকে সুবিধা দিতে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকায় কারসাজি করেছে।
তবে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশটির নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কমিশন কোনো অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা (৩০) ও সৌরভ দাসকে (২৭) শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়া থানার সামনে থেকে নীল রঙের একটি পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আন্দোলনের আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি বিচারব্যবস্থাকে নিয়ে চরম প্রহসন।’
পুলিশ এর আগে এক বিবৃতিতে জানায়, ‘বারবার জনশান্তি বিঘ্নিত করার এবং আইন লঙ্ঘনের কথিত চেষ্টার’ অভিযোগে ১৪ অক্টোবর দাস ও রাঙ্কাকে আটক করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য পরিচিত স্থান জন্তর মন্তরে নিরাপত্তাবেষ্টনী টপকে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর পর তাদের আটক করা হয়। পুলিশ ওই স্থানে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের একই ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার কথিত চেষ্টাও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।’
রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত জন্তর মন্তর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে হলুদ ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তাকর্মীরাও মোতায়েন রয়েছেন।
দিল্লি পুলিশ গত সপ্তাহে জানায়, নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে জন্তর মন্তরের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








