
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জৈবপ্রযুক্তি ও সৌরপ্রযুক্তি খাতের ৪০ ধরনের প্রযুক্তি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে চীন। উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এআইয়ের অপব্যবহার ও সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবেলায় এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
বেইজিং থেকে এএফপি জানায়, শুক্রবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ করে। প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হলো। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় দেশই অভিযোগ করেছে, প্রতিপক্ষ তাদের নিজস্বভাবে তৈরি এআই মডেলের সক্ষমতা চুরি করছে।
খসড়া প্রস্তাবে এআই ব্যবহার করে ক্ষতিকর কোড তৈরি ও তার রূপান্তরের প্রযুক্তি এবং চীনের গুরুত্বপূর্ণ উপাত্ত দিয়ে প্রশিক্ষিত এআই মডেলসহ ১৪ ধরনের প্রযুক্তি রফতানি নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া হ্যাকিংয়ের সক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিসহ আরো ২৬ ধরনের প্রযুক্তি রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পৃথক এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এআইয়ের অপব্যবহার ও ক্ষতিকর প্রয়োগ ঠেকাতে চীন সরকার ‘প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ’ আরোপ করে থাকে।
প্রস্তাবটি নিয়ে শুক্রবার থেকে এক মাসের জন্য জনমত গ্রহণ করা হবে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এআইয়ের ক্ষেত্রে আরো কঠোর সুরক্ষাব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রযুক্তির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সীমিত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।
গত সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে দুই নেতা এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি ‘যোগাযোগ চ্যানেল’ প্রতিষ্ঠায় সম্মত হন।
গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকটি ব্যাংক চীনের এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা সরঞ্জাম ‘আরটেক্স’-সংশ্লিষ্ট সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়।
এরপর সরঞ্জামটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রোগ্রামারদের এর সোর্স কোড ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে দেয়। বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








