
পাকিস্তান নৌবাহিনীতে সদ্য যুক্ত হ্যাঙ্গর শ্রেণির একটি ডুবোজাহাজ প্রথমবারের মতো তাজা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মহড়া আরব সাগরে চালিয়েছে। মহড়ায় ডুবোজাহাজটি একটি জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নির্ধারিত দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানে।
পাকিস্তানের পুরানো ইংরেজি দৈনিক দ্য ডন রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জানায়, আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর এ তথ্য জানিয়েছে। নৌবাহিনীর প্রথম হ্যাঙ্গর শ্রেণির ডুবোজাহাজটি জুনে করাচি বন্দরে পৌঁছায়। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো গভীর হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।
আইএসপিআর এই মহড়াকে 'যুদ্ধ প্রস্তুতির বড় ধরনের প্রদর্শন' হিসেবে উল্লেখ করেছে। সদ্য নৌবহরে যুক্ত পিএনএস এম হ্যাঙ্গর এই মহড়ায় একটি 'জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নির্ধারিত দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে' নিখুঁতভাবে আঘাত হানে।
মহড়াটি প্রত্যক্ষ করেন পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ। তিনি ডুবোজাহাজটির যুদ্ধক্ষমতার প্রশংসা করেন। একই সাথে বিশ্বাসযোগ্য সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা নিশ্চিত করতে পানির নিচের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর 'কৌশলগত গুরুত্বের' ওপর জোর দেন।
আইএসপিআর বলেছে, এই সাফল্য জাতীয় সমুদ্রসীমা ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় আধুনিক ও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত নৌবাহিনী বজায় রাখার বিষয়ে পাকিস্তান নৌবাহিনীর অঙ্গীকারের বিষয়টি তুলে ধরে।








