তাইবুরের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
আগের দিনের সেঞ্চুরিকে চমৎকার ব্যাটিংয়ে ডাবল সেঞ্চুরিতে পরিণত করলেন ঢাকার তাইবুর রহমান। তার দারুণ দিনে শতকের দেখা পেলেন রাজশাহীর প্রিতম কুমার। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেকেই সেঞ্চুরি পেলেন চট্টগ্রামের ইরফান সাবরি তাকরির। নাসুম আহমেদ ও আবু জায়েদ রাহী দু’জনেই পেলেন পাঁচ উইকেট।
তাইবুরের ডাবল সেঞ্চুরি
প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দীর্ঘ ৯ বছর পর ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তাইবুর। রাজশাহীতে তার ব্যাটেই ৫১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ঢাকা। জবাবে খুলনার সংগ্রহ দুই উইকেটে ১৩২ রান।
১২৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা তাইবুর পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৭ সালে ক্যারিয়ার সেরা ২৪২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দ্বিশতক ছুঁয়ে বেশিক্ষণ টেকেননি তাইবুর। তিনটি ছক্কা ও ২২টি চারে ২১১ রান করে আউট হলে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে)
ঢাকা ১ম ইনিংস : (প্রথম দিন ৩৬৮/৫) ১৩৬.১ ওভারে ৫১৩/৯ডি. (তাইবুর ২১১, আমিনুল ৬৪, সুমন ৪৪, এনামুল ১*; সফর ২/৬৬, রাকিব ২/৮৭, পারভেজ ৪/১৪৫, আজিজুল ১/৭৬)।
খুলনা ১ম ইনিংস : ৩৭.২ ওভারে ১৩২/২ (আজিজুল ৪৯*, কালাম ৪৭, মিঠুন ২৪*; এনামুল ১/২৩, মাহফুজুর ১/১৮)।
নাসুমের ৫ উইকেট, প্রিতমের সেঞ্চুরি
বগুড়ার শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে নাসুমের স্পিনে কুপোকাত রাজশাহী। প্রিতম সেঞ্চুরি পেলেও কেবল ১৯২ রান করতে পারে রাজশাহী। প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করে ৯ চার ও পাঁচ ছক্কায় ১১৪ বলে প্রিতম করেন ১০৫ রান। চমৎকার বোলিংয়ে ৪৩ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন নাসুম। চলতি লিগে এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেট। আর প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ১৪তম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে)
সিলেট ১ম ইনিংস : (আগের দিন ৩২৯/৮) ৮৫ ওভারে ৩৩৬ (নাসুম ২৭, নিহাদ ৩/৫৭)।
রাজশাহী ১ম ইনিংস : ৪৩.২ ওভারে ১৯২ (হাবিবুর ৩৬, প্রিতম ১০৫, নাসুম ৫/৪৩)।
সিলেট ২য় ইনিংস : ২২ ওভারে ৬৩/০ (মাজহারুল ৩৭*, মুবিন ২৬*)
ইরফানের সেঞ্চুরি
খুলনায় রংপুরের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরান চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা। রংপুরের ১৬৬ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ পাঁচ উইকেটে ৩০৪ রান। ১৩৮ রানে এগিয়ে আছে তারা। ইরফান ১৩ চার ও এক ছক্কায় ১০৪ রান করে কট বিহাইন্ড হয়ে ফেরেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে)
রংপুর ১ম ইনিংস : ১৬৬
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস : ৯৭ ওভারে ৩০৪/৫ (সাদিকুর ৯০, ইরফান ১০৪, মেহেদি ৩/৬৫)।
আবু হায়দারের ৫ উইকেট
চট্টগ্রামের মাঠে বরিশালের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান আবু হায়দার। ময়মনসিংহের অভিজ্ঞ বাঁ হাতি পেসারের তোপে ফলো-অনে পড়ার শঙ্কায় বরিশাল। ছয় উইকেটে ২৪৭ রান নিয়ে খেলা শুরু করে দ্বিতীয় দিন ১৩৯ রান যোগ করে ময়মনসিংহ। তাদের ৩৮৬ রানের জবাবে দিন শেষে বরিশালের সংগ্রহ আট উইকেটে ১৩৬ রান। ফলো-অন এড়াতে করতে হবে আরো ১০১ রান। দিনের শেষ ওভারে ফজলে মাহমুদকে আউট করে নিজের সপ্তম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন আবু হায়দার। সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে)
ময়মনসিংহ ১ম ইনিংস : (আগের দিন ২৪৭/৬) ১১৬.২ ওভারে ৩৮৬ (ফাহিম ৫৯, মোসাব্বেক ৬৯*, তানভির ৩/৯৯, রুয়েল ৩/৮১)।
বরিশাল ১ম ইনিংস : ৪৪.৫ ওভারে ১৩৬/৮ (ফজলে মাহমুদ ৮০, আবু হায়দার ৫/৩৫)।

Advertisement