বিশ্ব বিজ্ঞান একাডেমিতে বাংলাদেশের ৭ বিজ্ঞানীর গৌরব
ফেলো নির্বাচিত ৭ বিজ্ঞানী (বাম থেকে) অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম এ রশিদ, অধ্যাপক ড. এ কে এম আক্তার হোসেন, অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, (নিচে বাম থেকে) অধ্যাপক ড. সোহেল রহমান, অধ্যাপক ড. মোবারক হোসেন খান ও ড. মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ : নয়া দিগন্ত।

 নয়া দিগন্ত ডেস্ক
বিশ্ব বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাতজন বিজ্ঞানী। একই সাথে পরিবেশ ও কৃষিবিজ্ঞান গবেষণায় অবদানের জন্য ‘TWAS–Fayzah M. Al-Kharafi Award’ পেয়েছেন শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার।
সম্প্রতি অনলাইনে অনুষ্ঠিত একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভায় তাদের নাম ঘোষণা করা হয়।
চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ৮৭ জন বিজ্ঞানীকে ফেলো হিসেবে নির্বাচিত করেছে উন্নয়নশীল বিশ্বের বিজ্ঞান ও গবেষণাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্য ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব সায়েন্সেস। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের সাতজন রয়েছেন। তারা সবাই বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সদস্য। ২০২৭ মেয়াদের জন্য তাদের নির্বাচিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত সাত বিজ্ঞানী হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ; শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার; সুপ্রিম সিড কোম্পানি লিমিটেডের রাইস রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ড. মোহাম্মদ আবদুল লতিফ; ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের  ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ; ইকোটেক্স লিমিটেডের রিসার্চ ল্যাবের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মুবারক আহমদ খান; বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান এবং বুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম আখতার হোসেন। একাডেমির আন্তর্জাতিক জুরি ও নির্বাহী পরিষদ ভূতত্ত্ব, ভূগর্ভের পানি সুরক্ষা, কৃষিবিজ্ঞান, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি, পরিবেশবান্ধব পাট প্রযুক্তি, কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের নির্বাচন করেছে।
অধ্যাপক কামরুন নাহার পরিবেশ ও কৃষিবিজ্ঞান গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘TWAS–Fayzah M. Al-Kharafi Award’ পেয়েছেন। ফেলো নির্বাচিত হওয়া এবং পুরস্কার অর্জনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক এই একাডেমির কাছ থেকে তিনি দ্বৈত স্বীকৃতি পেলেন। বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির কাউন্সিলের সহযোগী সম্পাদক অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচিত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Advertisement