
- নতুন সেনাঘাঁটি, এআই কমান্ড সেন্টার, ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপন
- এক বছরে অন্তত তিনটি স্থায়ী সেনাঘাঁটি চালু, মিজোরামে চতুর্থটির পরিকল্পনা
- কেন্দ্রে শিলিগুড়ি করিডোর, হাসিমারায় রাফাল, কোচবিহারের দিকে এস-৪০০
- প্রশ্ন : সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে ১ কিলোমিটারের মধ্যে স্থায়ী ঘাঁটি কেন?
বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ভারত ব্যাপক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। অল্প সময়ের মধ্যে নতুন সেনাঘাঁটি, সেনা স্টেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) কমান্ড সেন্টার, ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা এবং বহুস্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। প্রায় ২২ কিলোমিটার চওড়া এই সরু ভূখণ্ড ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সাথে যুক্ত করেছে। এই তৎপরতা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থা, ভারতের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের এত কাছে উচ্চপ্রযুক্তির স্থাপনা ও নতুন ফরওয়ার্ড বেস দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সীমান্তবাসীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মনস্তাত্ত্বিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সম্পর্ক স্বাভাবিক বলা হলেও সীমান্তের এক কিলোমিটারের মধ্যে স্থায়ী সেনাঘাঁটি কেন- এ প্রশ্নে বাংলাদেশ সরকার বা সশস্ত্রবাহিনীর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সংগৃহীত তথ্যে পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রখ্যাত নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব:) ফজল এ এলাহী আকবর নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী সীমান্তের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা নির্মাণকাজ করতে হলে প্রতিবেশী দেশকে আগে জানাতে হয়। সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কোনো অবকাঠামো গড়ে তোলা কিংবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এটিই আন্তর্জাতিক রীতি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে সীমান্ত থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যেই এ ধরনের কাজ হচ্ছে। ভারত যদি তা করে থাকে, তাহলে বাংলাদেশকে অবশ্যই কঠোর প্রতিবাদ জানাতে হবে। প্রতিবাদ না জানালে এটি একধরনের নীরব সম্মতি হিসেবে গণ্য হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ভারত আগে থেকে বাংলাদেশকে অবহিত করেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। যদি অবহিত না করে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের উচিত জোরালো প্রতিবাদ জানানো এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা। পুরো বিষয়টি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো ভারতের দায়িত্ব ছিল বলেই তিনি মনে করেন।’
ফজল এ এলাহী আকবরের মতে, ভারত কোনো সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা বা সুযোগ পাবে না। তিনি বলেন, ‘এটি ১৯৭১ সাল নয়, এটি ২০২৬ সাল; বৈশ্বিক ব্যবস্থা এখন এ ধরনের পদক্ষেপ সমর্থন করে না।’
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি করতে গেলে ভারতের নিজেদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই অনেক সমস্যা রয়েছে। নিজেদের স্বার্থেই তাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এমনকি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে গেলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তাদের নিজেদের জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনার আশঙ্কা রয়েছে।
তিন ঘাঁটি চালু, চতুর্থটির ভাবনা
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ও ডেকান ক্রনিকলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভারতীয় সেনাবাহিনী তিনটি ঘাঁটি স্থাপন করে। এগুলো হলো আসামের ধুবড়ির বামুনি, বিহারের কিশানগঞ্জ ও পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া।
লাচিত বরফুকন সামরিক স্টেশন (ধুবড়ি, আসাম) : বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে দূরত্ব প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। আসামের পশ্চিমাঞ্চলে এটি প্রথম সামরিক স্টেশন। এটি তেজপুরভিত্তিক ৪ কোরের অধীন এবং এখানে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ সেনা থাকার সক্ষমতা রয়েছে।
চোপড়া ফরওয়ার্ড বেস (উত্তর দিনাজপুর) : প্রতিবেদনে সীমান্ত থেকে দূরত্ব এক কিলোমিটারেরও কম বলা হয়েছে। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বিপরীতে অবস্থিত এই ঘাঁটি ‘খুব কম সময়ে’ চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিলিগুড়ি করিডোরের খুবই কাছে।
কিশানগঞ্জ ফরওয়ার্ড বেস (বিহার) : করিডোরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। দ্রুত সেনা মোতায়েন ও লজিস্টিক সহায়তার জন্য এটি ব্যবহৃত হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি চোপড়া ঘাঁটি পরিদর্শন করেন এবং ধুবড়ির স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার রঞ্জিত কুমার বরঠাকুর পিটিআইকে জানিয়েছেন, ধুবড়ির স্টেশন মানব ও সঙ্কেত গোয়েন্দা নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করবে। এক ভারতীয় কর্মকর্তা এসব ঘাঁটিকে স্থায়ী সেনা উপস্থিতির দিকে একটি ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
এরপর ভারত মিজোরামে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে আরেকটি বড় ঘাঁটির কথা ভাবছে। জি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত স্থান লাংলাই জেলার পারভা গ্রামের কাছে, যেখানে ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত মিলেছে। ১৭ মাউন্টেন স্ট্রাইক কোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্থানটি পরিদর্শনের কথা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ধুবড়ি থেকে মিজোরাম পর্যন্ত বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্ব সীমান্ত ঘিরে একটি ধারাবাহিক সামরিক বলয় তৈরি হবে। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের কোনো ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি।
এআই কমান্ড সেন্টার, ড্রোন ও ‘স্মার্ট বর্ডার’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএসএফ ভারত-বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তের জন্য এআই ও ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থানির্ভর একটি কেন্দ্রীয় ‘ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম’ কমান্ড সেন্টার চালু করেছে, যার মাধ্যমে রিয়েল-টাইম নজরদারি চলছে। তা ছাড়া তাপীয় ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তিসম্পন্ন কোয়াডকপ্টার ড্রোনে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে। মাটির নিচে ফাইবার অপটিক সেন্সর ও ইনফ্রারেড লেজার গ্রিড বসানো হয়েছে, যা কম্পন বা মানুষের পদচারণ শনাক্ত করে নিয়ন্ত্রণকক্ষে সঙ্কেত পাঠায়। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি জ্যামার ও কাইনেটিক অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছে। গ্বালিয়রভিত্তিক বিএসএফ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আওতায় বিশেষ ড্রোন কমান্ডো ও ড্রোন ওয়ারিয়র্স ইউনিট গঠিত হয়েছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২৬ মে রাজস্থানের বিকানের সীমান্ত পরিদর্শনে বলেন, ১০ মাসের মধ্যে অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা বসানো শুরু হবে। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তের জন্য একটি ‘স্মার্ট বর্ডার প্রজেক্ট’ বিবেচনাধীন বলেও ভারতের সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,০৯৬.৭০ কিলোমিটার। এর ৩,২৩৯.৯২ কিলোমিটার, অর্থাৎ প্রায় ৭৯ শতাংশ ইতোমধ্যে কাঁটাতারের বেড়ার আওতায়। তবে বিএসএফের অ্যান্টি-ড্রোন সাফল্যের বেশির ভাগ তথ্য পাকিস্তান সীমান্তকেন্দ্রিক। বাংলাদেশ সীমান্তে এসব প্রযুক্তি কতটা মোতায়েন হয়েছে, সে বিষয়ে বিএসএফ আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।
আকাশেও জোরদার প্রস্তুতি
ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ) পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বলে ওই দেশের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারা বিমানঘাঁটিতে রাফাল যুদ্ধবিমানের স্কোয়াড্রন রয়েছে এবং অঞ্চলে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিলিগুড়ি করিডোরে রুশ এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ, ভারত-ইসরাইল যৌথভাবে তৈরি এমআরএসএএম এবং দেশীয় আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে। এই স্তরভিত্তিক বলয়ের লক্ষ্য বাংলাদেশভিত্তিক বা চীন-সমর্থিত অবকাঠামো থেকে পরিচালিত সম্ভাব্য বিমান, ড্রোন ও নজরদারি সরঞ্জাম প্রতিহত করা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।
চলতি অক্টোবরে প্রকাশিত এক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী করিডোরের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ মাটির নিচে সরিয়ে নিচ্ছে। এতে আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট ও স্মার্চ মাল্টিপল রকেট লঞ্চারের জন্য ভূগর্ভের গোলাবারুদ মজুদাগার এবং রকেটের জন্য ২১টি ভূপৃষ্ঠ ফায়ারিং পজিশন তৈরির পরিকল্পনার কথা আছে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। এর আগে গুয়াহাটিতে বিমানবাহিনীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ এয়ার শোতে রাফাল, সুখোই ও মিরাজ যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। বিশ্লেষকরা এর সময় ও স্থানকে শক্তি প্রদর্শন হিসেবে দেখছেন।
সীমান্তে ড্রোন-আতঙ্ক
গত ৫ মে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের মোগলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের একটি ড্রোন বাংলাদেশের ভেতরে আছড়ে পড়ে। ৮৪১ নম্বর মেইন পিলারের কাছে শূন্যরেখা থেকে ১০ থেকে ২০ গজ ভেতরে সেটি পাওয়া যায়। বিজিবি ও স্থানীয়দের তথ্যানুযায়ী, কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধাসংলগ্ন বিএসএফ ৯৮ ব্যাটালিয়নের হিমালয় ক্যাম্পের সদস্যরা ড্রোন উড়িয়ে ভিডিও ধারণ করছিলেন। বিএসএফের দাবি, যান্ত্রিক ত্রুটি ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। ওই সময় তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম বলেছিলেন, ড্রোনটি বিজিবির হেফাজতে আছে এবং বিএসএফ সেটি ফেরত চেয়েছে। ঘটনার পর বিএসএফ সীমান্তে টহল জোরদার করলে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে কুড়িগ্রামের রৌমারীর বড়াইবাড়ী সীমান্তে পুশইনকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএসএফকে ড্রোন ওড়াতে দেখা গিয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও দুই ধরনের বক্তব্য
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় বিজিবি নিজস্ব তহবিলে পাঁচটি মাঝারি পাল্লার ড্রোন, ৫০টি স্বল্প পাল্লার ড্রোন, ৮২টি নজরদারি ড্রোন ও ১০টি হ্যান্ডহেল্ড অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম যুক্ত করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এই প্রযুক্তি দুর্গম ও বনাঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়াবে। বিজিবি ড্রোন প্রশিক্ষণের জন্য একটি নতুন স্কুলও চালু করেছে।
ভারত সরকারের অবস্থান হলো, বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক। বিএসএফের তৎকালীন মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীও সীমান্তের পরিস্থিতিকে ‘স্বাভাবিক’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। অন্য দিকে ভারতীয় গণমাধ্যম ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে।
তুর্কি প্রচারমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্টদের উদ্ধৃত করে এ পদক্ষেপকে ‘অস্পষ্টতা থেকে প্রস্তুতিতে উত্তরণ’ বলে বর্ণনা করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমে আবার লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি পুনরুজ্জীবনের বিষয়টিকে এই সামরিক প্রস্তুতির কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। তবে একাধিক বিজিবি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। সীমান্তের ওপারে কোনো আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী সীমার রেখা মেনে ভারত সেনাবাহিনী ও বিএসএফ তাদের করিডোর বা ঘাঁটি নির্মাণ করবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সীমানার অভ্যন্তরে কোনো ধরনের করিডোর করার সুযোগ নেই।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








