পোশাকশিল্প, বিশ্ববাজার, প্রতিযোগিতা

 

Advertisement

বিশ্ববাজারে তৈরী পোশাকের ক্রয়াদেশ ধরে রাখার লড়াইয়ে নতুন চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের রফতানিকারকরা। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি আয় কমেছে, দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারীর অবস্থানও ধরে রাখা যায়নি। ইউরোপের বড় বাজারগুলোর কয়েকটিতেও রফতানি প্রবৃদ্ধি থমকে গেছে। বিপরীতে স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও কয়েকটি অপ্রচলিত বাজারে ভালো প্রবৃদ্ধি খাতটিকে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশের পোশাক রফতানিতে এখন দ্বিমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অর্থাৎ একদিকে সামগ্রিক আয় বাড়ছে, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, কয়েকটি বাজারের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দিয়ে প্রধান বাজারের দুর্বলতা কতটা সামাল দেয়া সম্ভব।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাস, অর্থাৎ জুলাই-সেপ্টেম্বরে তৈরী পোশাক রফতানি থেকে আয় হয়েছে এক হাজার ৫৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। আগের  অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৯৯৭ কোটি চার লাখ ডলার। সে হিসাবে রফতানি বেড়েছে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ। এ সময়ে নিট পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাকে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ। সামগ্রিক পরিসংখ্যানে ইতিবাচক চিত্র থাকলেও বাজারভিত্তিক তথ্য বলছে, সব জায়গায় সমান গতিতে এগোতে পারছে না বাংলাদেশের পোশাকশিল্প।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এর স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। দেশটির অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক রফতানি পরিমাণ ছিল ৫৩৯ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানিও ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অর্থাৎ দেশটির বাজারে সামগ্রিক আমদানি সঙ্কুচিত হওয়ার প্রভাব বাংলাদেশের রফতানিতেও পড়েছে। তবে মোট আমদানি কমার তুলনায় বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমেছে কম হারে, যা বাজারটিতে বাংলাদেশের সরবরাহ ধরে রাখার কিছু সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়।
কিন্তু প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগস্ট শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির বাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারীর স্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ। চীন আবারো বাংলাদেশের ওপরে উঠে এসেছে। অটেক্সার হিসাবে, বছরের প্রথম আট মাসে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি হয়েছে ৫৬৩ কোটি ডলারের। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চীনের রফতানি ২৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশের চেয়ে দেশটির রফতানি আয় ২৪ কোটি ডলার বেশি। অন্যদিকে এক হাজার ৯৮ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। 
চীনের রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমার পরও বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে থাকার বিষয়টি প্রতিযোগিতার বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো একটি দেশের রফতানি কমলেই সেই বাজারের ক্রয়াদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের কারখানায় চলে আসে না। ক্রেতারা পণ্যের দাম, মান, নকশা, উৎপাদন সক্ষমতা, সরবরাহের সময় এবং অর্ডার অনুযায়ী দ্রুত উৎপাদন বাড়ানোর সামর্থ্য বিবেচনা করে সরবরাহকারী নির্বাচন করেন। ফলে শুধু কম শ্রমব্যয়ের ওপর নির্ভর করে বাজারের অবস্থান ধরে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
অটেক্স এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া প্রতি বর্গমিটার পোশাকের গড় মূল্য ছিল ৩ দশমিক ০৭ ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ মূল্য ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ কম। অর্থাৎ রফতানির পরিমাণের পাশাপাশি প্রতি একক পণ্যের গড় মূল্যেও নি¤œমুখী প্রবণতা রয়েছে। একই সময়ে চীন থেকে রফতানি হওয়া প্রতি বর্গমিটার পোশাকের গড় মূল্য ছিল ১ দশমিক ৪৭ ডলার। অবশ্য দুই দেশের পণ্যের ধরন, গুণগত মান ও মূল্য সংযোজনের পার্থক্য বিবেচনা না করে শুধু এ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা নির্ধারণ করা যায় না। তবে কম দামে পণ্য সরবরাহের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ওপর চাপ থাকার বিষয়টি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একদিকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাক। একই সাথে  যুক্ত হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যয়ের অনিশ্চয়তা। গ্যাসের সঙ্কট ও নি¤œচাপ, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘœ, জ্বালানির বাড়তি ব্যয় এবং কারখানা পরিচালনার অন্যান্য খরচ উৎপাদনকে ব্যয়বহুল করে তুলছে। স্পিনিং, ডাইং, ওয়াশিংসহ জ্বালানিনির্ভর উৎপাদন প্রক্রিয়ায় এসব সমস্যার প্রভাব আরো বেশি হতে পারে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে সমপরিমাণ বাড়তি দাম আদায় করা সব সময় সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে পুরনো দরেই ক্রয়াদেশ সরবরাহের চাপ থাকে। এতে রফতানি আয় বাড়লেও প্রকৃত মুনাফা সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
তারা বলছেন, উৎপাদন ব্যয়ের চাপ দীর্ঘায়িত হলে তার প্রভাব শুধু বর্তমান মুনাফায় সীমাবদ্ধ থাকে না। নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন, প্রযুক্তি উন্নয়ন, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে বিনিয়োগের সক্ষমতাও কমে যেতে পারে। অথচ আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে সরবরাহকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত মান, শ্রমিকের নিরাপত্তা, উৎপাদনের স্বচ্ছতা ও নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহের গুরুত্ব বাড়ছে। ফলে একদিকে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অন্যদিকে মান ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ দুই চ্যালেঞ্জই একসাথে মোকাবিলা করতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু নয়া দিগন্তকে বলেন, বাংলাদেশের পোশাক রফতানির প্রতিযোগিতা এখন শুধু উৎপাদন সক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে না; বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তা, ক্রেতাদের ক্রয়াদেশের প্রবণতা, অর্থায়নের ব্যয় এবং পণ্য সরবরাহের দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা দুর্বল হলে এবং ক্রেতারা নতুন অর্ডার দিতে সতর্ক থাকলে রফতানিকারকদের ওপর চাপ তৈরি হয়। একই সাথে উচ্চ সুদে ঋণ নেয়া ও জ্বালানির অনিশ্চয়তা উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যমান ক্রেতাদের ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন বাজার ও ক্রেতা খুঁজে বের করা এবং পণ্যে মূল্য সংযোজন বাড়ানো জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রফতানি কমার সব কারণকে জ্বালানি সঙ্কট বা উৎপাদন ব্যয়ের সাথে যুক্ত করাও ঠিক হবে না। প্রতিযোগী দেশগুলোর শ্রমব্যয়, কাঁচামালের প্রাপ্যতা, উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তি, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহব্যবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। একই সাথে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মজুদ, খুচরা বিক্রির প্রবণতা এবং নতুন ক্রয়াদেশের পরিমাণও বিবেচনায় নিতে হবে। বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে ভোক্তারা পোশাক কেনায় ব্যয় কমালে খুচরা বিক্রেতারা নতুন অর্ডার দিতে সতর্ক হন। আগের মৌসুমের পণ্য অবিক্রীত থাকলে নতুন ক্রয়াদেশও পিছিয়ে যেতে পারে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হলেও দেশভেদে প্রবৃদ্ধির পার্থক্য রয়েছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। কিন্তু একই সময়ে জার্মানিতে রফতানি কমেছে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ এবং ফ্রান্সে ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। বিপরীতে স্পেনে রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং নেদারল্যান্ডসে ৯ দশমিক ০২ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপের বাজারে চাহিদা ও ক্রয়াদেশের প্রবণতা এক রকম নয়। জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাজারে রফতানি কমার কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি স্পেন ও নেদারল্যান্ডসে প্রবৃদ্ধির পেছনে কোনো ধরনের পণ্য, ক্রেতা বা বাজার পরিস্থিতি কাজ করছে, তা চিহ্নিত করা জরুরি। একই ধরনের পণ্য সব বাজারে একইভাবে বিক্রি হবে এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে দেশভিত্তিক ও পণ্যভিত্তিক রফতানি কৌশল নেয়া প্রয়োজন। 
এদিকে অপ্রচলিত বাজারে রফতানি বাড়ার চিত্র অবশ্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসব বাজারে তৈরী পোশাক রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১৮১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। তবে এসব বাজারেও রফতানি কয়েকটি দেশের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়ায় অপ্রচলিত বাজারের মোট রফতানির ৫৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ কেন্দ্রীভূত। এ সময়ে তুরস্কে রফতানি বেড়েছে ১২৩ দশমিক ১৪ শতাংশ, বিপরীতে ভারতে কমেছে ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
অপ্রচলিত বাজারে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে শুধু নতুন ক্রেতা খুঁজলেই চলবে না; সেখানে নিয়মিত সরবরাহ, বাজার উপযোগী পণ্য, প্রতিযোগিতামূলক মূল্য এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই সাথে কয়েকটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে আরো বাজারে প্রবেশের উদ্যোগ নিতে হবে। কোনো একটি বাজারে নীতিগত পরিবর্তন, আমদানি কমে যাওয়া কিংবা ক্রেতাদের পছন্দ বদলে গেলে যাতে সামগ্রিক রফতানি বড় ধরনের ধাক্কা না খায়, সে জন্য বাজারের বৈচিত্র্য বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সামনে আরেকটি বড় কাজ হলো কম মূল্যের সাধারণ পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বেশি মূল্য সংযোজন হয় এমন পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো। কারিগরি পোশাক, বিশেষায়িত নিট পণ্য, উন্নত মানের ডেনিম, কার্যকরী পোশাক এবং পরিবেশবান্ধব উপকরণনির্ভর পণ্যে সক্ষমতা বাড়াতে পারলে মূল্য প্রতিযোগিতার চাপ মোকাবেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ জন্য শুধু উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ যথেষ্ট নয়; দক্ষ জনবল, প্রযুক্তিগত সহায়তা, সহজ অর্থায়ন, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি এবং কার্যকর লজিস্টিকস ব্যবস্থাও প্রয়োজন।
তারা বলছেন, রফতানি খাতের নীতিনির্ধারকদের জন্য তাই এখন অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বাজারভিত্তিক সমস্যার সুনির্দিষ্ট কারণ শনাক্ত করা। যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমার ক্ষেত্রে ক্রয়াদেশ, পণ্যের ধরন ও গড় মূল্য বিশ্লেষণ করতে হবে। ইউরোপের যেসব দেশে প্রবৃদ্ধি কমছে, সেখানে ক্রেতাদের চাহিদা ও প্রতিযোগী সরবরাহকারীদের অবস্থান পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়, বন্দর থেকে পণ্য খালাসের সময় এবং সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল নয়া দিগন্তকে বলেন, জ্বালানি সঙ্কট ও আর্থিক চাপ দেশের বস্ত্রশিল্পের উৎপাদন সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অনেক কারখানা আগে থেকেই নানা সমস্যায় সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করতে পারছিল না; গ্যাস ও বিদ্যুতের সঙ্কট পরিস্থিতিকে আরো জটিল করেছে। উৎপাদন ব্যাহত হলে সুতা ও কাপড়ের সরবরাহে প্রভাব পড়ে, যার চাপ শেষ পর্যন্ত তৈরী পোশাকের উৎপাদন ব্যয় ও রফতানি প্রতিযোগিতায়ও পড়তে পারে। এ অবস্থায় শিল্পকারখানার জন্য ঋণ পরিশোধে সময় দেয়া, পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা চালু এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।