
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বামী। নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় আত্মহত্যা করেছে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী
নারায়ণগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা জানান, নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পরকীয়ার সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জের ধরে সুফিয়া আক্তার নিশি নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বামী আবদুুল মান্নান মনির।
মঙ্গলবার রাত ৪টার দিকে তিনগাঁও উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যার পর স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন দিয়ে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
জানা যায়, পরকীয়া সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় ঝগড়া হয়। রাতে তাদের দুইজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মনির তার স্ত্রীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ ও গলা কেটে হত্যা করে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন জানান, পারিবারিক কলহে এ হত্যা। ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মদন (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় তাম্বুলি পাড়ার পার্কে ঘুরতে গিয়ে শোভা আক্তার (১৩) নামে কিশোরী মেয়েকে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি বিয়ের কথা বললে অস্বীকৃতি জানায় ধর্ষক হাসান। এতে অভিমান করে মঙ্গলবার আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নায়েকপুর পশ্চিমপাড়ায় নিজ গৃহে আত্মহত্যা করে শোভা। মেয়েটির লাশ পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে প্রেরণ করেছে।
জানা যায়, একই গ্রামের আলীম উদ্দিনের বখাটে ছেলে হাসান (২০) কিশোরী শোভা আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। এরই প্রেক্ষিতে রোববার পাশের উপজেলা কেন্দুয়ায় তাম্বুলি পাড়ার একটি মিনি পার্কে ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে ঘুরতে যান। পরে সেখানেই তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর মেয়েটি ধর্ষক হাসানকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় ধর্ষক হাসান। শুধু তাই নয় মেয়েটিকে গালমন্দ করে এবং তার কাছে বিশ হাজার টাকাও দাবি করে।
পরে বিষয়টি মেয়েটির বাবাকে জানায় । মঙ্গলবার সকালে মেয়েটির বাবা গ্রামের কয়েকজনকে অবগত করতে সকালে বের হন। এ সুযোগে মেয়েটি বসতঘরের ধর্নার সাথে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা জানান, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মতলব পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরমুকুন্দি গ্রামের বিল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার স্থানীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, ঘটনার দিন সকালে গ্রামের জনৈক এক ব্যক্তি বিলে কচুরিপানা পরিষ্কার করতে গিয়ে কম্বলে মোড়ানো বস্তাসদৃশ বস্তু দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের ধারণা, কয়েক দিন আগে ওই নারীকে হত্যা করে লাশটি বিলে ফেলে দেয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। লাশটির মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক তার বয়স ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








