মতামত
আ ফ ম খালিদ হোসেন। নয়া দিগন্ত

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে দুই বাংলাদেশী নাগরিকের শিরশ্ছেদের ঘটনা দেশের পররাষ্ট্রনীতি, কূটনৈতিক নজরদারি এবং প্রবাসী সুরক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিয়ে গভীর চিন্তার তাগিদ দেয়। বিদেশের মাটিতে কোনো নাগরিক আইনগত সমস্যায় পড়লে দূতাবাস ও কনস্যুলেট তাদের প্রথম ও প্রধান আইনি আশ্রয়স্থল। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেটের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব বিচারাধীন প্রবাসী নাগরিকদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা, কনস্যুলার প্রবেশাধিকার চাওয়া এবং আইনি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় দূতাবাস ও কনস্যুলেট যথাযথ সময়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিল কি না, নাকি কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ ছিল, তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা জরুরি। এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘটনার তথ্য প্রকাশ নয়; বরং প্রবাসী দূতাবাস ও মিশনগুলোর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন। 
আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর সরকারের পক্ষ থেকে ‘বিলম্বে অবগত হওয়া’ বা ‘পরে জানতে পারার’ মতো অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য রাষ্ট্রীয় সমন্বয়হীনতার ইঙ্গিত দেয়। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যেকোনো আন্তর্জাতিক ঘটনার ক্ষেত্রে আগাম তথ্য পাওয়া এবং তা কূটনৈতিক চ্যানেলে দ্রুত আদান-প্রদান করা পেশাদারিত্বের প্রাথমিক শর্ত। একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে এ ধরনের ঘটনায় অনানুষ্ঠানিক মন্তব্যের পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট, তথ্যভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য বা রিপোর্ট পেশ করা আবশ্যক, যাতে সরকারের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, ‘দুই বাংলাদেশী নাগরিকের মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় তথ্য আদান-প্রদান ও কূটনৈতিক যোগাযোগে ঘাটতি ছিল।’ সরকারি পর্যায়ে আপিল আদালতের রায়ের কপি পাওয়া গেলে পূর্বাপর ঘটনা স্পষ্ট হবে। 
সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। মধ্যপ্রাচ্য তো বটেই, প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয় পাঠানোর তালিকায় সৌদি আরব গোটা বিশ্বেই শীর্ষস্থানীয় দেশ।  সৌদিতে ৫০ লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করেন। এর মধ্যে ৩৫ লাখ ইকামাধারী, বাকি ১৫ লাখ অবৈধ। হয়তো পাসপোর্ট ও ভিসা জটিলতা বা ইকামা নবায়নে দীর্ঘসূত্রতায় আটকা পড়ে আছে। তাদের শ্রম ও ঘামে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেবল সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৫ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ ৭২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অর্থনৈতিক অবদানের পাশাপাশি এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবন, আইনি সুরক্ষা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম সাংবিধানিক দায়। দূতাবাস ও কনস্যুলেটে লেবার উইং আছে, সেখানে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিতে হবে অবিলম্বে। যারা কর্মরত আছেন তাদের সক্রিয় করতে এবং জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। 
নজরুল ইসলাম পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে সৌদি আরব যান ২০২২ সালে। আট মাসের মাথায় তিনি গ্রেফতার হন। একদিন পর আটক হন সুইটি বেগম। নজরুলের বিরুদ্ধে সাইবার আইন লঙ্ঘন আর সুইটির বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ আনা হয়। এ তথ্য সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে লিখিতভাবে জানিয়েছিল। সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি কর্তৃপক্ষ দুই হাজার পাঁচ শ’ বন্দীর তালিকা দেয়। তালিকায় নজরুল ও সুইটির নাম ছিল। কিন্তু কনস্যুলেট যথাসময়ে এ বিষয়ে গুরুত্ব বা মনোযোগ দেয়নি। 
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, দূতাবাস বা কনস্যুলেটের লোকবলের অভাব আছে। ফলে এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়নি। সরকারি মুখপাত্রের মন্তব্য সরকারের ব্যর্থতার চিত্র। তিন বছর বিচারিক কার্যক্রম চলার পর গত ১৪ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। বন্দীদের তালিকা হাতে থাকার পরও জেদ্দা কনস্যুলেট বিচারাধীন মামলাগুলোর ব্যাপারে খোঁজখবর রাখেনি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে কিছু জানায়নি। সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে জানাজানি হয়। অথচ ১৯৬৩ সালে ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৬ নম্বর ধারায় দণ্ডিত ব্যক্তির দেশকে জানানোর বাধ্যবাধকতা আছে। সৌদি সরকার সেটি অনুসরণ করেনি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কয়েক দিন আগে নজরুল মা-বাবার সাথে কথা বলেন। এর আগেও বারকয়েক জেলখানা থেকে মা-বাবার সাথে কথা বলার সুযোগ পান। 
১৯ অক্টোবর জেদ্দায় বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৩ সালের আগস্টে গ্রেফতারের পর যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রথমে নিম্ন আদালত দুই আসামিকে দণ্ড দেন। পরে আপিল আদালতে ১৩ জন বিচারককে নিয়ে গঠিত প্যানেল নিম্ন আদালতের রায় (মৃত্যুদণ্ড) বহাল রাখেন। আদালতের রায় অনুসরণ করে নারী ও পুরুষের জন্য নির্ধারিত পৃথক সেলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল এ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু অসঙ্গতির বিষয় তুলে ধরেন। দণ্ড কার্যকরের আগে বিষয়টি কনস্যুলেটকে অবহিত করলে তাদের জীবন রক্ষার পদক্ষেপ নেয়া যেত। বাদশাহর কাছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আবেদন করলে তিনি যেকোনো অপরাধীকে ক্ষমা করতে পারেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রচেষ্টায় ২০২১ সালে সৌদি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের গভর্নর একজন বাংলাদেশীকে ক্ষমা করে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই দেন এবং দণ্ডিত ব্যক্তিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।  
সরকারিভাবে তথ্য না জানানোর কারণে বাংলাদেশসহ গোটা দুনিয়ার নেটজগতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ সুযোগে  অনেকে ভিউ বাড়ানোর জন্য মুখরোচক তথ্য ও কল্পকাহিনী দিয়ে ভিডিও ছাড়ছেন। মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। নজরুলের বাড়িতে মাতম চলছে। কিন্তু সুইটি বেগমের কোনো খবর নেই। তার বাড়ি টাঙ্গাইল— এতটুকু জানা গেছে। 
সঙ্গত কারণে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা প্রয়োজন। ক. অপরাধের মাত্রা কতটুকু। চারজন সাক্ষীর মাধ্যমে ব্যভিচারের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ‘হদ’ জারি করতে হয়। ‘হদ’ প্রমাণের শর্ত বেশ কঠিন। কিন্তু বিচারক তা’জির (বিচারের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা) প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড দেন। ফিকাহবিদদের মতে তা’জিরের ক্ষেত্রে বেত্রাঘাতের শাস্তি বেশি প্রচলিত। খ. দণ্ডিত ব্যক্তিদ্বয় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়েছিলেন কি না। সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত আসামিরা আইনি সহায়তা পেয়েছিলেন কি না। গ. দূতাবাস বা কনস্যুলেটের গাফিলতি আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে। ঘ. নজরুল জেলখানা থেকে মা-বাবার সাথে মাঝে মধ্যে কথা বলেছেন। সুইটি আক্তার সে সুযোগ পেয়েছিলেন কি না। ঙ. দোভাষী তার দায়িত্ব পালন করেছেন কি না। কনস্যুলেট থেকে দোভাষী নিয়োগ করলে অস্পষ্টতা দেখা দিত না। 
তা’জির  দণ্ডের পরিধি ও প্রয়োগে সীমাবদ্ধতা
তা’জিরের আওতায় মৃত্যুদণ্ড প্রদানের বৈধতা ও পরিধি নিয়ে ইসলামী আইনতত্ত্ববিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। দৈনিক নয়া দিগন্তের সাথে এক সাক্ষাৎকারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও দেশের বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ড. আহমদ আলী বলেন, কিছু ফকিহ বিশেষ পরিস্থিতিতে গুরুতর ও ব্যাপক ক্ষতিকর অপরাধের ক্ষেত্রে এবং জননিরাপত্তা রক্ষার অপরিহার্য প্রয়োজনে এমন দণ্ডের অবকাশ আছে বলে স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, এ ধরনের দণ্ডের পরিধি ও প্রয়োগে অধিকতর সীমাবদ্ধতার পক্ষেও মত রয়েছে। অতএব, তা’জিরের আওতায় মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাব্য বৈধতা স্বীকার করলেই যেকোনো অপরাধে এমন দণ্ড প্রদানকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ বা ন্যায়সঙ্গত বলা যায় না। এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— কোনো ঘটনাকে সাধারণভাবে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে বর্ণনা করা হলে, তার ভিত্তিতে সেটিকে যেনা বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট অপরাধ হিসেবে ধরে নেয়া যায় না। অপরাধের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা, প্রমাণ এবং বিচারিক সিদ্ধান্ত জানা প্রয়োজন। 
তিনি বলেন, ইসলামী ফিকহে যেনা-সংক্রান্ত দণ্ডের বিধানও স্বতন্ত্র আইনগত কাঠামোর অধীন; হুদুদ-সংক্রান্ত বিধান ও তা’জিরের আওতায় বিবেচিত অপরাধকে এক করে দেখা যথাযথ নয়। সুতরাং, আলোচ্য ঘটনায় যদি তা’জিরের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে : অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঠিক কোন অপরাধ প্রমাণিত হয়েছিল? অপরাধ কতটা গুরুতর ছিল? দণ্ড নির্ধারণে কোন আইনতাত্ত্বিক নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল এবং অপেক্ষাকৃত কম কঠোর দণ্ডের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড কেন যথাযথ বিবেচিত হয়েছিল? এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর ছাড়া দণ্ডটি ইসলামী দণ্ডবিধির দৃষ্টিতে যথার্থ, আনুপাতিক ও অপরিহার্য ছিল কি না— সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছা কঠিন। সৌদি সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যাখ্যা জনসমক্ষে তুলে ধরলে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বজনমনে ইসলামী দণ্ডবিধি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় সংশয় সৃষ্টির আশঙ্কা কমবে।
স্মর্তব্য যে, সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে চারিত্রিক স্খলনের মামলায় ৩০৬ জন বাংলাদেশী আটক আছেন। এদের মধ্যে ১৪৭ জন বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করছেন। তাদেরকে সর্বনিম্ন এক মাস এবং সর্বোচ্চ  ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাইবার অপরাধে মক্কায় তিনটি মামলায় তিন বাংলাদেশীকে সর্বনিম্ন  ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২০১১ সালের ৭ অক্টোবর এক মিসরীয় প্রহরীকে হত্যার অভিযোগে আট বাংলাদেশী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ করা হয়। বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে রক্তপণ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল কিন্তু মিসরীয় প্রহরীর আত্মীয়স্বজন রক্তপণ গ্রহণে রাজি হয়নি। ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
আগাম আইনি সুরক্ষাব্যবস্থা
প্রবাসীরা যেন বিদেশী বিচারব্যবস্থায় কোনো অমানবিক পরিস্থিতি বা আইনি সহায়তাহীনতার শিকার না হন, সে জন্য দ্বিপক্ষীয় আইনি চুক্তি জোরদার করা এবং স্থায়ী আইনি সহায়তা ফান্ড বা প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ করা জরুরি। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনার পর কেবল রাজনৈতিক বা আবেগঘটিত আলোচনা-সমালোচনা সমস্যার স্থায়ী সমাধান আনে না। এই ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর দুর্বলতা চিহ্নিত করার সুযোগ হিসেবে নেয়া উচিত। বিচারিক প্রক্রিয়ার কোথায় ঘাটতি ছিল, কনস্যুলার যোগাযোগে কী ধরনের বিলম্ব ঘটেছে— তার একটি গভীর ও নিরপেক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক পর্যালোচনা প্রয়োজন। এই পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রবাসীর ক্ষেত্রে যেন অনুরূপ পরিস্থিতি না ঘটে, তার স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
সংক্ষেপে, এ বিষয়টি কোনো ব্যক্তি বা দলের রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়; বরং এটি রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং প্রবাসী নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। একটি স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল এবং দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতিই পারে বিদেশে অবস্থানরত কোটি প্রবাসী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধার নিরাপত্তা ও আত্মমর্যাদা সুসংহত করতে, যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিকে পুষ্ট করছেন। 
লেখক : সাবেক উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
drkhalid09@gmail.com

Advertisement