
দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ইসরাইলের আয়রন ডোমের জন্য তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী ব্যবস্থা কেনার কথা বিবেচনা করছে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দেশটির কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধরন দ্রুত বদলে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা সংসদীয় কমিটিকে জানান, ২০৩০-এর দশকের শুরুর দিকে অস্ট্রেলিয়া একটি ভূমিভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চালু করতে চায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রাপ্যতা নিয়ে আলোচনা চলছে। একইসাথে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমসের তৈরি আয়রন ডোমের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী ব্যবস্থা কেনার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ ব্যবস্থা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর একটি নতুন ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়েছে। এটি যৌথভাবে তৈরি করছে রাফায়েল ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান রেথিয়ন।
ট্রাকে বহনযোগ্য মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী ব্যবস্থা গত জুনে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ গুয়ামে পরীক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনী। ওই আঞ্চলিক সামরিক মহড়ায় অস্ট্রেলিয়াও অংশ নেয়।
অস্ট্রেলিয়া ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ করে না। তবে ইসরাইলের কাছ থেকে প্রতিরক্ষাসামগ্রী কেনার বিষয়টি দেশটিতে রাজনৈতিক পর্যায়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
এ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের জবাবে সরকারের মন্ত্রী মারে ওয়াট বলেন, ‘সরকার সব সময় সবচেয়ে উপযুক্ত সামরিক প্রযুক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে।’
এয়ার মার্শাল রবার্ট চিপম্যান জানান, ২০২৭ সালের তালিসম্যান সাবর সামরিক মহড়ার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আগামী বছর প্রতিরক্ষা বাহিনী সরকারকে সুপারিশ করবে।
এদিকে, প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলোর ওপর দিয়ে অনুমতি ছাড়া ড্রোন উড়ে যাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানানো হয়।
২০২২ সালে এ ধরনের ঘটনা ছিল ১৯টি। গত বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০৪টিতে।
সূত্র : বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








