রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, বিএনএসিডব্লিউসি প্রশিক্ষণ কর্মশালা, রাসায়নিক নিরাপত্তা, রাসায়নিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, রাসায়নিক দ্রব্যের নিরাপদ ব্যবহার
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে এআইয়ের প্রভাববিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। সংগৃহীত

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (CWC) ওপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রভাব ও এ বিষয়ে করণীয় নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) উদ্যোগে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সক্ষমতা কিভাবে প্রচলিত রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেদ করে রাসায়নিক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, সে বিষয়ে সম্যক ধারণা দেয়া এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের অবহিত করাই ছিল কর্মশালার উদ্দেশ্য।

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের আমদানি, ব্যবহার ও ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসোসিয়েশন থেকে মোট ৩৩ জন এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

কর্মশালায় বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রাসায়নিক দ্রব্যের নিরাপদ ও যথাযথ ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) সদস্য সচিব কমডোর এম কিবরিয়া হক।

তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বৈত-ব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনএসিডব্লিউসির সাথে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।