
সোনালী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: নুরুল হক শেখের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৪৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে চার্জশিট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদক প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো: আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে নুরুল হক শেখের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি করা হয়।
তদন্তে তার নামে তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সম্পদ বিবরণীতে ১০ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ির তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে আসে।
তদন্তে তার ঋণ পাওয়া যায় ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ২৬০ টাকা। ঋণ বাদে নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই কোটি ৭৪ লাখ ছয় হাজার ১২৪ টাকা। এর সাথে পারিবারিক ব্যয় এক কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৯ টাকা যোগ করে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় তিন কোটি ৮৮ লাখ ৪০ হাজার ২৭৩ টাকা।
এর বিপরীতে আয়কর নথিতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় এক কোটি ৪৩ লাখ সাত হাজার ৬৯০ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই কোটি ৪৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৩ টাকা।
তদন্তে আরো দেখা যায়, নুরুল হক শেখ ১৯৯০-৯১ ও ২০০৮-০৯ করবর্ষে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে দুই কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা দান পেয়েছেন বলে আয়কর নথিতে উল্লেখ করেন। তবে এসব দাতা কারা, তা তিনি লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে স্মরণ করতে পারেননি। তদন্তে ওই দানের দাবি গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার সুপারিশের ভিত্তিতে দুদক কমিশন নুরুল হক শেখের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়। পরে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। বাসস
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








