
চট্টগ্রাম ব্যুরো
এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনকারী দেশের আটিটি মেডিক্যাল কলেজের একটি চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ (সিআইএমসি)। শনিবার স্বাড়ম্বরে মেজবানি আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি উদযাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সাথে এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অর্জিত এই স্বীকৃতি ধরে রাখা এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে আরো এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের অঙ্গীকার করেছেন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা।
সিআইএমসি কনফারেন্স হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো: মুসলিম উদ্দিন সবুজ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (সিআইএমসিএইচ) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন। সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও গভর্নিং বডির সভাপতি ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও বিএঅ্যান্ডডিসি সদস্য ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো: টিপু সুলতান, সিআইএমসি নির্বাহী কমিটির সেক্রেটারি অধ্যাপক মো: নুরুন্নবী, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়- ২০২২ সালে জাতীয় সংসদে অ্যাক্রিডিটেশন আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) গঠন করা হয়। যাত্রা শুরুর প্রধান লক্ষ্যই ছিল বাংলাদেশী মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েটরা যাতে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারে। অ্যাক্রিডিটেশন ছাড়া বাংলাদেশের মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েটরা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তথা বহির্বিশ্বের যেকোনো দেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ লাভ করতে পারবে না। ইতঃমধ্যে আমাদের পার্শ¦বর্তী দেশ শ্রীলঙ্কা, ইন্ডিয়া, নেপাল, পাকিস্তানসহ প্রায় সব দেশই বিশ্ব স্বীকৃতি লাভ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের যেসব প্রতিষ্ঠান বিএমইএসি স্বীকৃতি পাবে না সেসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী দেশের বাইরে উচ্চতর শিক্ষা ও মেডিক্যাল প্র্যাক্টিস করতে পারবে না।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








