
ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট ৫৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীদের পরিবর্তনপন্থী জোটের আসন কমে দাঁড়িয়েছে ৪৭টিতে। তবে ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসন এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো পক্ষ। এখনো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো পক্ষ, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সৌদি আরবের ইংরেজি দৈনিক আরব নিউজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) এ খবর জানায়। ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, চার কোটির বেশি নয়, ৪০ লাখের বেশি ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের চিত্রে এখনো স্পষ্ট বিজয়ী নেই।
প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২৭টি আসন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী, মধ্যপন্থী সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি একটি আসন হারিয়ে নেমে এসেছে ২০টিতে। আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর জোট জয়েন্ট লিস্টের আসন বেড়ে হয়েছে ১৯টি। এ খবর দিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট।
এই ফলাফলে সরকার গঠনের আলোচনা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সরকার গঠনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটের পর পরিচালিত জরিপেও কোনো পক্ষের স্পষ্ট জয় দেখা যায়নি। ফলে নতুন সরকার গঠনে কয়েক সপ্তাহ ধরে দর-কষাকষি চলতে পারে।
নেতানিয়াহু শক্তিশালী ডানপন্থী সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। আরব দলগুলোকে তিনি জায়নবাদবিরোধী আখ্যা দিয়ে তাদের সাথে সহযোগিতার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। অন্যদিকে, আইজেনকোট শর্তসাপেক্ষে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সাথে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। তবে এমন সমঝোতা ইসরাইলের রাজনীতিতে বিতর্কিত।
ভোট গণনা এখনো চলছে। ফলে আসনসংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে। শেষ পর্যন্ত নেতানিয়াহু সরকার গঠনের মতো জোট গড়তে পারবেন, নাকি প্রতিদ্বন্দ্বীরা বিকল্প সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করবেন, তা নির্ভর করছে চূড়ান্ত ফলের ওপর।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








