
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। প্রায় ৪০০ কেজি পারমাণবিক উপাদান রাশিয়ার হেফাজতে রাখার প্রস্তাবেও রাজি হয়নি দেশটি। এর মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার উদ্যোগ এগিয়ে নিতে তেহরান সফর করছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির।
আল জাজিরা বুধবার (২১ অক্টোবর) জানায়, ওয়াশিংটনের সাথে আবারো আলোচনায় বসার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে বলে মনে করছে ইরান। কূটনৈতিক আলোচনা চলার সময় আগের মার্কিন হামলার কথা তুলে ধরে ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। একই সাথে তেহরানের দেয়া সাত দফা প্রস্তাবের কোনো শর্তে ছাড় দিতেও রাজি নয় ইরান।
এদিকে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে হোয়াইট হাউস আল জাজিরাকে জানিয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরির আঘাত হানার সক্ষমতাসম্পন্ন বহর মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। এর পাশাপাশি ইসরাইলে সফর করছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। এসব তৎপরতার মধ্যে নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা না করার মার্কিন আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








