
ইয়েমেনের হাউছিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সৌদি আরবকে রক্ষায় টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব যুদ্ধবিমান প্রতিরক্ষামূলক দায়িত্ব পালন করবে। হাউছিদের ওপর হামলা চালানোর কাজে এগুলো ব্যবহার করা হবে না।
আল জাজিরা মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জানায়, সৌদি আরবের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আকাশপথের হামলা থেকে রক্ষায় ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর টাইফুন যুদ্ধবিমান দিয়ে প্রতিরক্ষামূলক অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি সৌদি আরবের বিমান অভিযানে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থাও আরো দীর্ঘ সময় চালু রাখবে যুক্তরাজ্য।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও হাউছিদের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হলো। সৌদি আরব ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হাউছিরা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে তেল স্থাপনা ও রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর। জবাবে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থন দেয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হাউছিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, ‘আমাদের মিত্র সৌদি আরবের ওপর হাউছিদের অব্যাহত হামলা একেবারেই নিন্দনীয়। বিশেষ করে রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলা থেকে বোঝা যায়, আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত করতে হাউছিরা কত দূর যেতে প্রস্তুত।’
তিনি আরো বলেন, সৌদি আরবের আকাশসীমা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা থেকে রক্ষায় টাইফুন যুদ্ধবিমান দিয়ে প্রতিরক্ষামূলক অভিযান চালানোর অনুমোদন দিয়েছেন তিনি। হাউছিদের আকাশপথের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবে আগে থেকেই থাকা ব্রিটিশ সরঞ্জাম ও সামরিক সদস্যদের সহায়তায় নতুন এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
লন্ডন থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ক্যামিল নেদেলেক বলেন, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যা ঘটছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের ঘরবাড়ি ও দৈনন্দিন জীবনে। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে যুক্তরাজ্যের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততারও ইঙ্গিত দেয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








