
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ লক্ষ্য করে হাউছি গোষ্ঠীর ছুড়ে মারা একটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ঠেকিয়ে দেয়া হয়েছে ও ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করেছে ইয়েমেনে তৎপর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। রিয়াদ ও পার্শ্ববর্তী আল-খারজ গভর্নরেটে বিপদসংকেত বাজানোর কিছুক্ষণ পরই এ ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করা হয়।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনদোলু বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক বিবৃতিতে সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, হাউছিরা রিয়াদকে নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়েছিল।
এর আগে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা দফতর সম্ভাব্য বিপদের খবর জানিয়ে রিয়াদ ও এর দক্ষিণ-পূর্বের আল-খারজ গভর্নরেটের বাসিন্দাদের সতর্ক করে জরুরি বার্তা পাঠায়। পরে অপর এক বার্তায় সংস্থাটি জানায়, দুই এলাকাতেই বিপদ কেটে গেছে। বিমান হামলার সতর্কতা সংকেত বাজনের পরপরই রিয়াদজুড়ে পরপর চারটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ইয়েমেনের হাউছি গোষ্ঠীর সাথে বিরোধ তীব্র হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ছে। এর আগে মঙ্গলবার রিয়াদে গুলি করে ভূপাতিত করা দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের খণ্ডাংশ পড়ে চারজন আহত হন। এই ঘটনায় অন্তত ১৫টি বাড়ি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে বুধবার ভোরে জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সৌদি জোট আরো জানিয়েছে, তারা আল-খারজেও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। এছাড়া পূর্বাঞ্চলীয় ধাহরান শহরে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলায় ছোটখাটো অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হাউছিদের অবস্থানের ওপর সৌদি জোটের হামলা চালানো হলে তার জবাবে রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর, সেখানে থাকা আরামকোর শোধনাগার এবং দাম্মামে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে হামলার হুমকি মঙ্গলবারই দিয়েছিল হাউছিরা।
২০১৪ সাল থেকে সানাসহ কয়েকটি প্রদেশ নিয়ন্ত্রণ করছে হাউছিরা। তাদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন জানাতে ২০১৫ সাল থেকে সামরিক অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর চলতি বছরের জুলাই থেকে অঞ্চলটিতে আবার নতুন করে সংঘাত ছড়াতে শুরু করে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








