
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার দাবি করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। পাশাপাশি দেশটির তাইজ প্রদেশের উপকূলীয় শহর ধুবাবের একটি বিমানবন্দরও নিজেদের কব্জায় নেয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।
সোমবার (৫ অক্টোবর) আল জাজিরা জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক বার্তায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ আল-নুজাইলি জানান, সরকারি বাহিনী বিমানবন্দরটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং আশপাশের এলাকায় অবস্থান আরো শক্ত করেছে। চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলার পর অনেক হাউছি যোদ্ধা নৌকায় করে পালিয়ে যায়। হাউছিদের বিরুদ্ধে এক 'ভাগ্য নির্ধারক সামরিক অভিযানে' ধুবাব শহরটি দখলে নেয়া হয় বলে সেনা সূত্র থেকে আগেই জানানো হয়েছিল। আল-নুজাইলি জানান, বাহিনীর এই সামরিক অভিযান এখনো চলছে।
এদিকে, রাজধানী সানা শত্রুমুক্ত করতে 'ডন অব ইয়েমেন' বা 'ইয়েমেনের উষা' নামে বড় সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রশাদ আল-আলিমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্ধার, সানা মুক্ত করা এবং হাউছি মিলিশিয়াদের শাসন নস্যাৎ করতেই এই পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের ইচ্ছা, সেনাবাহিনীর সাহসিকতা ও বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সহায়তায় দেশটি আবার মুক্ত বাতাসের মুখ দেখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
২০১৪ সালেসানা দখল করে নেয় হাউছিরা। পরে সেখানে তারা নিজস্ব সরকার প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল তাদের দখলে রয়েছে। গত মাসেও লোহিত সাগর উপকূলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এমন অবস্থায় হাউছিদের হাত থেকে সব এলাকা ফিরিয়ে নিতেই সৌদি সমর্থিত আল-আলিমি এই পাল্টা আক্রমণের ডাক দিয়েছেন।
অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, ইয়েমেনে হাউছিদের ৩০০টিরও বেশি 'গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে' তারা হামলা চালিয়েছে। মিত্র স্থল বাহিনীকে সার্বক্ষণিক আকাশ সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে বলে জানান জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি। তিনি জানান, 'ইয়েমেনের উষা' অভিযানে সোমবার সকালেই শতাধিক যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








