
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও স্থায়ী সমঝোতা না হলে এই অগ্রগতি ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এ খবর জানায়।
গ্রিনিচ মান সময় সকাল সাড়ে ৮টায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ৩৫ সেন্টে দাঁড়ায়। এর আগে দাম কিছুটা কমেছিল। পরে তা আবার বেড়ে যায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলার ৬২ সেন্টে পৌঁছায়।
ইরান যুদ্ধের অবসানে স্থায়ী সমঝোতা না হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহের পরিস্থিতির উন্নতি থমকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা। একদিকে আঞ্চলিক তেল সরবরাহ বাড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। দুই পরিস্থিতির দিকেই নজর রাখছেন তাঁরা।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহের পরিস্থিতির ওপর মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি প্রবাহের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে।
ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমে মোহাজেরানি বুধবার জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় পাঠানো নতুন প্রস্তাবের জবাব ওয়াশিংটনের কাছ থেকে পেয়েছে তেহরান।
ইরানের ঘোষিত শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে শত্রুতা বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেয়া এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় করা।
এদিকে ওপেক প্লাসের সাতটি তেল উৎপাদনকারী দেশ অক্টোবরে তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সেপ্টেম্বরে যা ছিল, তা-ই রেখেছে। অর্থাৎ, এ মাসে উৎপাদন বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








