
মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক রস হ্যারিসনের মতে, হরমুজ প্রণালী সাত দিনের জন্য খুলে দেয়ার ইরানের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সদিচ্ছা দেখানোর একটি উদ্যোগ।
‘আমার মনে হয়, তারা আলোচনায় বসা ও সমঝোতার ব্যাপারে নিজেদের আগ্রহ দেখাতে চাইছে,’ আল জাজিরাকে তিনি বলেন। ‘ইরানের অভ্যন্তরীণ মানুষদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে এটি মার্কিন জনগণের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই ইরানি কর্মকর্তারা এ সপ্তাহে নিউইয়র্কে এসেছেন।’
আল জাজিরা রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জানায়, হ্যারিসন বলেন, ইরানের নেতারা সম্ভবত আগেই ধারণা করেছিলেন যে ট্রাম্প এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবেন। কারণ এটি জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মতোই।
তার ভাষায়, ইরানিরা মনে করেন, ওই সমঝোতার বাস্তবায়ন-পদ্ধতিকে দুর্বল করে দিতে ‘যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে’। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করায় তারা একটুও অবাক হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।’
হ্যারিসনের মতে, সমঝোতা স্মারক সই করার পর থেকে ইরান দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
‘এর একটি হলো দ্রুত হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়া,’ তিনি বলেন। এ লক্ষ্যে তেহরান জাহাজগুলোকে ইরানের উপকূল ঘেঁষে চলাচলের চেষ্টা করছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
‘তবে তারা হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুদ্ধ-পরবর্তী বাস্তবতাও নির্ধারণের চেষ্টা চালাচ্ছিল । এর মধ্যে সম্ভবত টোলব্যবস্থা চালুর বিষয়টিও রয়েছে। আর যুদ্ধ-পরবর্তী কোনো একটি ব্যবস্থা নিয়ে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোকে সম্মত করাতে তারা খুব জোরালোভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’








