
রাড্ডা এমসিএইচএফপি সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় মদদদাতাদের গ্রেফতার না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি আবারো বলছি, রাড্ডার ঘটনা ঢাকা ১৪ আসনের শুধুমাত্র মিরপুরের ঘটনা নয়, এটি সারা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলার যে অবনতি হয়েছে তারই অংশ মাত্র।
তিনি বলেন, রাড্ডার ঘটনা সারাদেশে যে দখলবাজির, চাদাবাজির কালচার চলছে এবং তাকে যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। রাড্ডার ঘটনা আমাদের জন্য গুরত্বপূর্ণ এই জন্য, এই ঘটনাটি যদি সঠিকভাবে বিচার হয়, এর সাথে যারা জড়িত তাদেরকে যদি বিচারের আওতায় আনা যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে হয়তো সারা বাংলাদেশে যে চাঁদাবাজি, দখলবাজির যে নৈরাজ্যের একটি জোয়ার তৈরি হয়েছে সেটি হয়তো আমরা বিপরীত দিকে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
এমপি আরমান আরো বলেন, রাড্ডার ঘটনাটির পর সবচেয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে আমি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই- কেননা, তারা এই রাড্ডার ঘটনায় জড়িত যারা তাদের নাম ধরে সুনির্দিষ্ট করে রিপোর্ট করছে। অথচ আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিরপুর জোন পুলিশ তাদেরকে খুঁজে পাচ্ছে না বলে জানাচ্ছে।
তিনি বলেন, সর্বশেষ গতকাল দৈনিক প্রথম আলোতে সুনির্দিষ্ট নাম ধরে নিউজ এসেছে সেখানে, এই চক্র সক্রিয় তাই নয়, প্রকাশ্যে সেখানে চাঁদাবাজি চলছে। এখনো চাঁদাবাজি চলার পরও তাহলে পুলিশ তাদেরকে কেন খুঁজে পায় না।
তিনি আরো বলেন, এখানে আমি জনগণের পক্ষ থেকে আপনাদের মাধ্যমে ৭ দিনের সময় দিতে চাই, এই সময়ের মধ্যে যদি চিহ্নিত সন্ত্রাসী পাতেল, লেলিন, হানিফ, রাসেল ও শুভ্রদের ধরতে না পারে তাহলে এই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে আমাদের আর আস্থা নেই।
সংসদ সদস্য বলেন, আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, ৭ দিনের মধ্যে যদি চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে না পারে তাহলে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করবো, এই তদন্তভার মিরপুর জোন থেকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় কোনো বাহিনীর হাতে হস্তান্তর করতে হবে।
তিনি বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে সাংবাদিকরা খুঁজে পাচ্ছে যে চাঁদাবাজি হচ্ছে, জনগণ সাক্ষী দিচ্ছে চাঁদাবাজি হচ্ছে, সবই নির্বিঘ্নে হচ্ছে, শুধু আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে খুঁজে পাচ্ছে না। আমরা ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিচ্ছি, এর মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য আলাউদ্দিন সোহেল, জি এম হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








