ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সংগৃহীত

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের অবসান হয়েছে। আল ফয়সালির বিপক্ষে পর্তুগিজ তারকার করা দ্বিতীয় গোলটি আত্মঘাতী ছিল কি-না, সেই প্রশ্ন এড়িয়েছে ম্যাচ রেফারির প্রতিবেদনে। গোলটি রোনালদোর নামেই নথিভুক্ত করা হয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার সৌদি প্রো লিগের একাদশ রাউন্ডের ম্যাচে আল মাজমাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে আল ফয়সালির মুখোমুখি হয় আল নাসর। ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা আল নাসর শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে জয় তুলে নেয়।

ম্যাচের ৪৯ মিনিটে আসে আলোচিত গোলটি। পর্তুগিজ সতীর্থ জোয়াও ফেলিক্সের নেয়া ফ্রি-কিক থেকে হেড করে বল জালে পাঠান রোনালদো। সেটিই ছিল আল নাসরের দ্বিতীয় গোল। তবে গোলের পরপরই শুরু হয় বিতর্ক।

মূলত রোনালদোর হেডের পর বল আল ফয়সালির এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ায়। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই দাবি করেন, গোলটি রোনালদোর নামে না দিয়ে আত্মঘাতী গোল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত ছিল।

বিতর্কটি শেষ পর্যন্ত পৌঁছায় ম্যাচের সরকারি নথিতে। সৌদি সাংবাদিক আলি আল- আনজি নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে জানান, ম্যাচ রেফারির প্রতিবেদনে গোলটির কৃতিত্ব রোনালদোকেই দেয়া হয়েছে।

অর্থাৎ বলটি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলেও গোলের মূল কৃতিত্ব রোনালদোরই হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

শুধু রেফারির প্রতিবেদনেই নয়; সৌদি প্রো লিগের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটেও গোলটি রোনালদোর নামেই নথিভুক্ত করা হয়েছে। ফলে গোলটি আত্মঘাতী ছিল কি-না, সেই বিতর্কের আর কোনো জায়গা থাকল না।

রোনালদোর ব্যক্তিগত রেকর্ডের দিক থেকেও গোলটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এই গোলের মাধ্যমে তার ক্যারিয়ারে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮২-তে। ৪০ বছর বয়সেও গোলের পর গোল করে চলা পর্তুগিজ এই তারকা এখন ক্যারিয়ারে এক হাজার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলক থেকে মাত্র ১৮ গোল দূরে।

ফুটবল ইতিহাসে এক হাজার গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্য বহুবার জানিয়েছেন রোনালদো। বয়স ৪০ পেরোলেও সেই লক্ষ্যে তার ছুটে চলা থামেনি।