ইন্দোনেশিয়ার কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
ইন্দোনেশিয়ার কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ। সংগৃহীত

শক্তির পার্থক্যটা ছিল ম্যাচ শুরুর আগেই স্পষ্ট। মাঠে নামার পর সেটিই যেন আরো প্রকট হয়ে উঠল। প্রথমার্ধেই বাংলাদেশকে ছয়বার পরাস্ত করে ইন্দোনেশিয়া। শেষ পর্যন্ত ফারহান আলী ওয়াহিদ ও ইমন শাহরিয়ারের গোলেও বড় হার এড়াতে পারেনি থমাস ডুলির দল।

Advertisement

ফিফা আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ৯-২ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের। অন্যদিকে শেষ ম্যাচের আগে চার পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ছিল ইন্দোনেশিয়া।

এদিন ১১তম মিনিটেই বাংলাদেশের জালে প্রথমবার বল পাঠায় ইন্দোনেশিয়া। ডান দিক থেকে ওলে রোমেনির বাড়ানো বল প্রথম ছোঁয়ায় জালে পাঠান মিচেল বাকের। ২০ মিনিটে রোমেনির তৈরি করা আক্রমণ থেকেই নিজের দ্বিতীয় গোল করেন বাকের।

৩২ মিনিটে রিজকি রিধোর গোলে ব্যবধান হয় ৩-০। চার মিনিট পর বাংলাদেশের হয়ে ব্যবধান কমান ইমন শাহরিয়ার। শুকি ইতোফুসার ক্রস থেকে হেডে গোল করেন তিনি। এটি ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম গোলও।

তবে সেই গোলের পরই আবার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ইন্দোনেশিয়া। ৩৭ মিনিটে নিজের তৃতীয় গোল করেন বাকের। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো দুই গোল করে বিরতির আগেই বাংলাদেশকে ৬-১ ব্যবধানে পিছিয়ে দেয় স্বাগতিকরা।

বিরতির পরও ইন্দোনেশিয়ার আক্রমণের ধার কমেনি। যদিও নির্ধারিত সময়টুকো প্রায় পাড় করে ফেলেছিল বাংলাদেশ, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ৯০ মিনিটে লুক ভিকারির গোলে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে যায় ৭-১। 

তবে এক মিনিট পরই বাংলাদেশকে দ্বিতীয় গোল এনে দেন ফারহান আলী ওয়াহিদ। রাকিব হোসাইনের বাড়ানো বল থেকে গোল করেন তিনি। কিন্তু শেষ মুহূর্তেও থামেনি ইন্দোনেশিয়ার গোলের ধারা। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে কেভিন ডিক্সের গোলে ব্যবধান হয় ৮-২। 

আর একদম শেষ মুহূর্তে নিজের পঞ্চম গোল করে ইন্দোনেশিয়ার ৯-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন বাকের। এর মধ্য দিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে জয়হীনভাবেই অভিযান শেষ করল বাংলাদেশ। 

তিন ম্যাচে বাংলাদেশের গোল দু’টি, বিপরীতে হজম করেছে ১৩টি। প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের। শেষ ম্যাচেও বড় ব্যবধানের পরাজয় দিয়ে শেষ হলো তাদের আসর।