
ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্কুলে বরাদ্দ বাড়নোর দাবি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ ঘিরে দেশজুড়ে হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছে সরকার। এরই মধ্যে ১৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ।
আল জাজিরা শনিবার (২৪ অক্টোবর) জানায়, কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাঙ্গার পর আবারো বিক্ষোভের আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক দিনের বিক্ষোভে লুটপাট, গাড়িতে আগুন দেয়া এবং সরকারি ভবনে হামলার মতো ঘটনা ঘটেছিল। এবার এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বদ্ধপরিকর সরকার।
রাজধানী প্যারিসে বিক্ষোভের মূল মিছিলের গতিপথও সীমিত করে দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ মিছিলটিকে শহরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে নির্দিষ্ট এলাকায় আটকে রেখেছে, যাতে তা নগরকেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারে।
প্যারিসে মিছিল, অর্লেয়াঁয় উগ্র ডানপন্থাবিরোধী প্রতিবাদ
প্যারিসে অনুমোদিত বিক্ষোভের সামনের সারিতে রয়েছেন ফ্রান্সের কট্টর বামপন্থী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জঁ-লুক মেলঁশোঁ। বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক উপস্থিতিকে তিনি সম্মিলিত শৃঙ্খলা ও আত্মসংযমের প্রকাশ বলে উল্লেখ করেছেন।
মেলঁশোঁ বলেন, ‘মানুষের এই বিপুল সাড়া অসাধারণ। এতে সম্মিলিত শৃঙ্খলা ও আত্মসংযমের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে।’
প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি বুঝতে পারবেন যে প্রতি সপ্তাহেই এমন বিক্ষোভ হবে। এবার তাঁর নতি স্বীকার করার সময় এসেছে।’
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে মেলঁশোঁ বলেন, ‘আগুনে ঘি ঢালবেন না। মানুষকে পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা বন্ধ করুন।’
এদিকে, প্যারিসের দক্ষিণে অর্লেয়াঁ শহরেও হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে তাঁরা রাস্তায় নামেন। শহরটিতে মেরিন লো পেনের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল র্যালি দলের দুই দিনের সম্মেলন চলার সময় এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








